বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত টঙ্গীতে সাংবাদিক মহিউদ্দিন রিপনকে অপহরণ, নির্যাতন ও এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সরাইল থানার ওসি মনজুরুল কাদির ভূঁইয়াকে ঘিরে বিতর্ক, ‘ক্ষমতার উৎস কোথায়’—জনমনে প্রশ্ন। সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু গরুর মাংসের নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ আটক-১ জননিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে বিশেষ অবদান: গুণীজন সম্মাননা স্মারক পেলেন ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান পিপিএম সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার, ১৭ দিন কারাভোগের অভিযোগ সাংবাদিক মোঃ জয় সরকারের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হামলা বন্ধের আহ্বান বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি! রায়পুরে মেঘনায় থামছে না মা ইলিশ শিকার

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রশস্তকরণ কাজে মাটিযুক্ত বালু ব্যবহার

হাসান তারেক. সিনিয়র রিপোর্টার:

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কাজে মাটিযুক্ত নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। মহাসড়কের উভয় পাশে ৬ ফুট করে প্রশস্ত ও দুর্ঘটনাপ্রবণ জাঙ্গালিয়া এলাকায় ৯০০ মিটার মাঝখানে ডিভাইডারসহ চার লেনে উন্নীত হবে। এই কাজ পায় এমএএইচ কনস্ট্রাকশন। যার বরাদ্দ ৩০ কোটি টাকা স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সড়ক উন্নয়নের নামে নিম্নমানের বালু ব্যবহারের কারণে কিছুদিন পরেই সড়কের পাশ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এই দুর্বল অংশগুলো আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। কাজের তদারকিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতির সুযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খরচ কমাতে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করছে। সঠিকভাবে মনিটরিং না থাকায় ঠিকাদার দায়সারা কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দেশের পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন এই মহাসড়ক ব্যবহার করে। অথচ এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজে যদি অনিয়ম ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়, তবে তা বড় ধরনের দুর্নীতি ও জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির মিঠার দোকান থেকে জাঙ্গালিয়া এলাকা পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার স্থানে সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়ক প্রশস্তকরণ কাজে যে বালু ব্যবহার করা হচ্ছে তার অধিকাংশই মাটিযুক্ত ও নিম্নমানের। কোথাও কোথাও শুকনো বালুর পরিবর্তে ভেজা বালু দিয়ে ভরাট কাজ করতে দেখা গেছে। মহাসড়কে সামান্য ভুল মানেই বড় দুর্ঘটনা। নিম্নমানের কাজ হলে মানুষের জীবন হুমকিতে পড়বে। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছে সচেতন মহল। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নুর ইসলাম জানান, মহাসড়ক প্রশস্তকরণ কাজে নিম্নমানের কোনো সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে না। তবে প্রয়োজনের চেয়ে বালু সংকট ও ঈদুল আযহার আগে সড়কের একপাশের কাজ শেষ করার জন্য তাগদা থাকায় একটু বেগ পেতে হচ্ছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু হানিফ জানান, মহাসড়ক প্রশস্তকরণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ নেই। অভিযোগ পাওয়ার পর মাটিযুক্ত বালু অপসারণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা