সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ধোবাউড়ায় বিজয়ী জেলা প্রশাসক উইমেন্স কাপ চ্যাম্পিয়ণ নারী ফুটবলারদের বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা শাহজাদপুরে এনসিডি কর্ণার পরিদর্শন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া চার বছরের অপেক্ষার পর পাওয়া সন্তান নিখোঁজ, সিসিটিভিতে নারী। টেকনাফে রোহিঙ্গা যুবক হত্যা: প্রধান আসামি স্ত্রী গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ কেসি কলেজ বন্ধের ঘোষণা ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে জুলহাস উদ্দিন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেরানীগঞ্জে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক সভা আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার-৩ গলাচিপায় মায়ের নির্মমতা অব্যাহত: জান্নাতুলকে এবার জোরপূর্বক শ্বশুরবাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা টেকনাফে দেশীয় মদসহ ১২ রোহিঙ্গা আটক, প্রত্যেকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড

টেকনাফে রোহিঙ্গা যুবক হত্যা: প্রধান আসামি স্ত্রী গ্রেপ্তার

ফরহাদ রহমান

স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার

 

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাব্বির আহম্মেদ (২৫) নামে এক যুবক হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারনামীয় প্রধান আসামি তাঁর স্ত্রী শাহেনা বেগমকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ক্যাম্প-২৭-এর সি/১৪ ব্লকে তাঁর বাবার বসতঘর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে এপিবিএন ক্যাম্প থেকে রওনা করা হয়।

 

১৬ এপিবিএনের জাদিমুড়া ক্যাম্পের ইনসিডেন্ট রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটে ক্যাম্প-২৭-এর সি/১২ ব্লকে নুরুল ইসলামের ভাড়া বাসায় সাব্বির আহম্মেদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে ঘরের ভেতরে দুই হাত বাঁধা অবস্থায় চালের বাঁশের সঙ্গে লুঙ্গি ও গামছা পেঁচানো অবস্থায় মৃত পাওয়া যায়। ঘটনাটির পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় এটি হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হয়।

 

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সাব্বির আহম্মেদের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী শাহেনা বেগমের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ২০২১ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

এপিবিএন সূত্রে আরও জানা যায়, সাব্বির আহম্মেদ আগে তাঁর মা-বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের সম্প্রসারিত ক্যাম্প-২৬-এর শালবাগান এলাকার এফ/৮ ব্লকে বসবাস করতেন। পরে পারিবারিক বিরোধের প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ক্যাম্প-২৭-এর সি/১২ ব্লকে নুরুল ইসলামের ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।

 

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার শাহেনা বেগমের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর ৫৩/২৬, তারিখ ১০ অক্টোবর ২০২৬। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় করা হয়েছে।

 

তদন্তসংশ্লিষ্টদের পরবর্তী পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা