সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এনসিপি নেতা তারেখ রেজা সংবাদ সম্মেলনের আগেই গ্রেফতার হলেন ঝিনাইদহ থেকে। সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিরপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে নেতা কর্মী আটক করতে ব্যর্থ পুলিশ, টার্গেট মেলাতে পথচারী ধরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা। কোটচাঁদপুরে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  সাতক্ষীরায় দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত রামুতে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩ মহেশখালীতে মোবাইল কোর্ট: ৩ ফার্মেসিকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আজহারুল ইসলাম সাদী উপকূলকে বাঁচাতে জাতীয় বাজেটে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের দাবি কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এমপি মাওলানা আবু তালিব ঝিনাইদহ-৪ আসনকে আধুনিক মডেল এলাকায় রূপান্তরের প্রত্যয়

রামুতে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্ক সংলগ্ন এলাকায় র‌্যাব-১৫ এর পৃথক দুই অভিযানে ৩২ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে দুই নারী রয়েছেন।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ও দুপুরে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকার মহোসিনের ছেলে মোজ্জামেল হক (৪৭), রামুর ধয়াপালং এলাকার সোলেমানের মেয়ে মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়ার মরিচা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে বুলবুল আক্তার (৩৮)।

র‌্যাব-১৫ সূত্র জানায়, মাদকের একটি বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল থেকে বসুন্ধরা অ্যামিউজমেন্ট পার্কের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে থামানোর সংকেত দিলে চালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে চালক মোজ্জামেল হককে আটক করা হয়। এ সময় সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।

এরপরও এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রাখে র‌্যাব। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে একই চেকপোস্টে আরেকটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামিয়ে দুই নারী যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে নারী সদস্যদের সহায়তায় তাদের তল্লাশি করা হয়।

তল্লাশির একপর্যায়ে তাদের ব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ছয়টি বান্ডেল থেকে আরও ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি নগদ ১ হাজার ৫০০ টাকা ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে রামু, উখিয়া, চকরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করার কথা স্বীকার করেছে।

উদ্ধারকৃত ইয়াবা, জব্দকৃত আলামত ও আটক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনি কার্যক্রম শেষে তাদের রামু থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব কর্মকর্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা