শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আরএমপি’র ৩৩তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের দায়িত্ব গ্রহণ ভোলার লালমোহনে নারিকেল পাড়া কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আটক ৪ কক্সবাজারে প্রেস কাউন্সিলের সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত *কসবায় ২৪ কেজি গাঁজাসহ সিএনজি উদ্ধার মাদক কারবারিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত* তারাগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান: ২টি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়ে জরিমানা” টঙ্গী পশ্চিমে ওসির বিশেষ অভিযানে বদলে গেছে দৃশ্যপট: জনমনে স্বস্তি, কোণঠাসা মাদক ব্যাবসায়ীরা গলাচিপায় জেলেদের মাঝে জাল বিতরণ ও উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর নওগাঁয় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্ডাডলসহ আটক ৩ নাচোল উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান সফিকুল ইসলামকে চার ইউনিয়ন ও পৌরসভার তৃণমূল জনগণ। চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

টঙ্গী পশ্চিমে ওসির বিশেষ অভিযানে বদলে গেছে দৃশ্যপট: জনমনে স্বস্তি, কোণঠাসা মাদক ব্যাবসায়ীরা

সেলিম মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার:

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) আওতাধীন টঙ্গী পশ্চিম থানায় যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব আরিফুর রহমান। মাদক, সন্ত্রাস ও জননিরাপত্তার প্রশ্নে তাঁর গৃহীত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ফলে পাল্টে গেছে এলাকার সামগ্রিক চিত্র। অপরাধীদের কাছে তিনি এখন এক আতঙ্কের নাম, আর সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন আস্থার প্রতীক।
থানা সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র দুই মাস অতিবাহিত হলেও ওসির নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। এই স্বল্প সময়ে থানা এলাকা থেকে মাদক কারবারি, মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীসহ ৭০০-এর অধিক আসামিকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ধারাবাহিক এই সাঁড়াশি অভিযানের ফলে এলাকায় মাদকের সরবরাহ ও ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এক সময় টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক কেনাবেচা, ছিনতাই ও চুরির মতো অপরাধ ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু ওসি আরিফুর রহমানের সাহসী পদক্ষেপ ও নিয়মিত টহল ব্যবস্থার কঠোরতায় অপরাধীরা এখন ওনেকটাই কোনঠাসা। কমেছে
ছিনতাই ও চুরির মতো অপরাধ,
“আগে সন্ধ্যার পর বাইরে বের হতে ভয় লাগত, এখন পুলিশের তৎপরতায় সেই আতঙ্ক অনেকটাই কেটে গেছে। আমরা ওসির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।”
পশ্চিম থানা এলাকার জনসাধারণ বলেন , ওসির দৃঢ় নেতৃত্ব ও আপসহীন ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে গেছে। হয়রানিমুক্ত আইনি সেবা নিশ্চিত করায় থানা এখন সাধারণ মানুষের প্রকৃত ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—মাদকসেবী আর ছোট কারবারিরা ধরা পড়লেও নেপথ্যের ‘রাঘব বোয়ালরা’ যেন ছাড় না পায়। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশের আইজিপি ও জিএমপি কমিশনারের দিকনির্দেশনায় টঙ্গী পশ্চিম থানাকে একটি আদর্শ ও মাদকমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। এ বিষয়ে ওসি আরিফুর রহমান জানান:”অপরাধী যে-ই হোক, অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা