বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি ঘিরে পেশাজীবী দলের অভূতপূর্ব সংবর্ধনা দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী গোমস্তাপুরে ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ মেলার শুভ উদ্বোধন। টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ উৎসবে ভাসল মান্দা: বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরণ করে নেওয়া হলো নতুন বছর। মিরপুরে সাংস্কৃতিক ঐক্য ফোরামের আয়োজনে বর্ণাঢ্য নববর্ষ উদযাপন গলাচিপায় বর্নাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন ​ চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে হারুয়ালছড়ি অনুষ্ঠিত হয়েছে গীতা পাঠ ও গ্রামীণ মেলা। রাজশাহী প্রেসক্লাবে বর্ষবরণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

মৃতদেহ দেখে প্রচারণা থামালেন আমিনুল হক: অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত।

মোঃ শফিকুর রহমান

নির্বাচনী প্রচারণার মাঠ মানেই সাধারণত স্লোগান আর ব্যস্ততার তুঙ্গে থাকা। কিন্তু এই ব্যস্ততার মাঝেও মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ও গভীর মানবিকতা প্রদর্শন করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ঢাকা-১৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি, ২০২৬) মিরপুর সেকশন সাতে গণসংযোগের সময় এই হৃদয়স্পর্শী ঘটনাটি ঘটে। এদিন সকাল থেকেই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন তিনি। স্লোগানে মুখরিত মিছিলটি মিরপুর সেকশন সাতের রাস্তা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ একটি মৃতদেহ দেখতে পান আমিনুল হক। তা দেখা মাত্রই তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সকল নির্বাচনী প্রচারণা ও স্লোগান বন্ধ করার নির্দেশ দেন।

মুহূর্তের মধ্যেই সেই কোলাহল থেমে গিয়ে পিনপতন নীরবতা নেমে আসে। আমিনুল হক সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের নিয়ে মৃত ব্যক্তির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

দোয়া শেষে স্থানীয় মুরুব্বি, মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, “আমি এই এলাকার সন্তান, এখানেই ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছি। আজ দশম দিনের মতো আমার গণসংযোগ চলছে। আমার সাথে স্থানীয় মুরুব্বি ও মুক্তিযোদ্ধারা রয়েছেন যারা সরাসরি রাজনীতির সাথে জড়িত নন, কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য তারা আজ মাঠে নেমেছেন। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাকে শতভাগ আশাবাদী করে তুলেছে।”
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন। আমিনুল হক বলেন, “একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় আছি। কিন্তু এখনো ষড়যন্ত্র থেমে নেই। বিপক্ষ দল ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সাধারণ মানুষের এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করে ভোট জালিয়াতির পাঁয়তারা করছে। এমনকি বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অপচেষ্টাও চালানো হচ্ছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “গত ১৭ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। যারা ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান, ৯০-এর আন্দোলন এবং ৭১-এর স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে, তারা কোনো ষড়যন্ত্র বা বিশৃঙ্খলা সহ্য করবে না। যদি এই অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা যায়, তবে ১২ই ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশে একটি ‘ভোট বিপ্লব’ ঘটবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা