রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির বিশাল শোভাযাত্রা ও সমাবেশ, নেতাকর্মীদের ঢল, স্লোগানে মুখর রাজপথ। নতুন প্রজন্মের কাছে ৭ নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে ৩৯ বোতল দেশীয় চোলাই মদসহ তপু রবি দাস (২৪) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গ্রাম পুলিশের ঐতিহাসিক অর্জন: জাতীয় দরবারে গলাচিপার শংকর “চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল গেটের বিপরীতে স্কুলের দেওয়ালে অশালীন ভাষা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের রাজনৈতিক স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠেছে। ফরিদগঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ফরিদগঞ্জ নলডাঙ্গায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা নওগাঁ সাতক্ষীরায় ৫ দিনের ব্যবধানে ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার হেরোইন ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ মহেশপুর জামায়াতের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত ।

মৃতদেহ দেখে প্রচারণা থামালেন আমিনুল হক: অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত।

মোঃ শফিকুর রহমান

নির্বাচনী প্রচারণার মাঠ মানেই সাধারণত স্লোগান আর ব্যস্ততার তুঙ্গে থাকা। কিন্তু এই ব্যস্ততার মাঝেও মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ও গভীর মানবিকতা প্রদর্শন করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ঢাকা-১৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি, ২০২৬) মিরপুর সেকশন সাতে গণসংযোগের সময় এই হৃদয়স্পর্শী ঘটনাটি ঘটে। এদিন সকাল থেকেই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন তিনি। স্লোগানে মুখরিত মিছিলটি মিরপুর সেকশন সাতের রাস্তা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ একটি মৃতদেহ দেখতে পান আমিনুল হক। তা দেখা মাত্রই তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সকল নির্বাচনী প্রচারণা ও স্লোগান বন্ধ করার নির্দেশ দেন।

মুহূর্তের মধ্যেই সেই কোলাহল থেমে গিয়ে পিনপতন নীরবতা নেমে আসে। আমিনুল হক সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের নিয়ে মৃত ব্যক্তির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

দোয়া শেষে স্থানীয় মুরুব্বি, মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, “আমি এই এলাকার সন্তান, এখানেই ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছি। আজ দশম দিনের মতো আমার গণসংযোগ চলছে। আমার সাথে স্থানীয় মুরুব্বি ও মুক্তিযোদ্ধারা রয়েছেন যারা সরাসরি রাজনীতির সাথে জড়িত নন, কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য তারা আজ মাঠে নেমেছেন। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাকে শতভাগ আশাবাদী করে তুলেছে।”
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন। আমিনুল হক বলেন, “একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় আছি। কিন্তু এখনো ষড়যন্ত্র থেমে নেই। বিপক্ষ দল ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সাধারণ মানুষের এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করে ভোট জালিয়াতির পাঁয়তারা করছে। এমনকি বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অপচেষ্টাও চালানো হচ্ছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “গত ১৭ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। যারা ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান, ৯০-এর আন্দোলন এবং ৭১-এর স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে, তারা কোনো ষড়যন্ত্র বা বিশৃঙ্খলা সহ্য করবে না। যদি এই অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা যায়, তবে ১২ই ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশে একটি ‘ভোট বিপ্লব’ ঘটবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা