রিপোর্ট লুৎফর আজাদ
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আযম খান সখীপুর-বাসাইলবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে বদ্ধপরিকর: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী সখীপুর-বাসাইল সখীপুর ও বাসাইল উপজেলাকে একটি আধুনিক ও আদর্শ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আযম খান। সম্প্রতি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন ও স্থানীয় সুধী সমাজের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দৃঢ় ঘোষণা দেন। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার মন্ত্রী জানান, নির্বাচনের সময় তিনি যে ‘স্মার্ট সখীপুর-বাসাইল’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন: ”আমি এই মাটির সন্তান। আপনাদের দেওয়া প্রতিটি ভোটের আমানত আমি কাজের মাধ্যমে রক্ষা করতে চাই। সখীপুর-বাসাইলের রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনই আমার মূল লক্ষ্য।” মূল উন্নয়নের ক্ষেত্রসমূহ মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতের অগ্রগতি তুলে ধরেন: যোগাযোগ ব্যবস্থা: দুর্গম এলাকার রাস্তাঘাট পাকাকরণ এবং বাসাইল-সখীপুর সংযোগকারী প্রধান সড়কগুলোর সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: স্থানীয় হাসপাতালগুলোর শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বেকারত্ব নিরসন: স্থানীয় যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশ্বাস দেন তিনি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে এডভোকেট আযম খান বলেন, সরকারি বরাদ্দের প্রতিটি পয়সা যেন জনগণের কল্যাণে ব্যয় হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। সবশেষে, মন্ত্রী এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, সকলের সহযোগিতায় সখীপুর ও বাসাইল আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের অন্যতম মডেল উপজেলায় পরিণত হবে