বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় অপরিপক্ক ৯ হাজার কেজি আম জব্দের পর ধ্বংস গলাচিপার তিন ইউনিয়নে স্বপদে ফিরলেন নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক ও বালিকা ২০২৬ উদ্বোধন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির (আংশিক) ঘোষণা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার মহাদেবপুরে অসাবধানতায় প্রাণ গেল ১০ মাস বয়সী শিশুর বিশ্ব গণমাধ্যম দিবসে ঢাকা প্রেসক্লাবের ১৩ দফা দাবি উত্থাপন ধামরাইয়ে ৫ ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান: ৩০ লাখ টাকা জরিমানা

গলাচিপার তিন ইউনিয়নে স্বপদে ফিরলেন নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা

খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান, পটুয়াখালী: ​দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আইনি জটিলতা আর অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদে জনমতের জয় হয়েছে। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসনের আদেশে পুনরায় নিজ নিজ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন নির্বাচিত তিন জনপ্রতিনিধি। ​আদালতের রায়ে যে তিন জনপ্রতিনিধি স্বপদে বহাল হয়েছেন তারা হলেন: • ​গলাচিপা সদর ইউনিয়ন: মো. জাহাঙ্গীর হোসেন টুটু • ​আমখোলা ইউনিয়ন: মো. কামরুজ্জামান মনির হাওলাদার • ​কলাগাছিয়া ইউনিয়ন: মো. মাইনুল ইসলাম ​সূত্রমতে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই তিন জনপ্রতিনিধি নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে আইনী জটিলতার কারনে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক এসব ইউনিয়নে ‘প্রশাসক’ নিয়োগ দেয়। জনগণের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখতে উক্ত চেয়ারম্যানগণ উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের রায় এবং সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী গত ২৮ তারিখ একটি দাপ্তরিক চিঠি জারী করেন। উক্ত চিঠির মাধ্যমেই তাদের পুনরায় স্ব-স্ব দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ​চেয়ারম্যানদের স্বপদে ফেরার সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব ফিরে পাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়া উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আবারও গতিশীল হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ ও নাগরিক সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা দ্রুত কেটে যাবে বলে আমরা আশা করছি। ​সচেতন মহলের মতে, এই রায় শুধু তিন ব্যক্তির পদ ফিরে পাওয়া নয়, বরং এটি গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং জনগণের ভোটাধিকারের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ​দায়িত্বভার গ্রহণের পর এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় চেয়ারম্যানরা বলেন, “আমরা শুরু থেকেই আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম। আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে যে সত্য ও ন্যায়বিচার সর্বদা বিজয়ী হয়। আমাদের প্রধান লক্ষ্য এখন স্থগিত হয়ে যাওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করা এবং দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের সেবা নিশ্চিত করা।” ​তারা আরও জানান, বিগত দিনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠে ইউনিয়নের সার্বিক অগ্রগতি ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা বদ্ধপরিকর। এসময় তারা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা