শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চুয়াডাঙ্গায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু: নতুন বাসা থেকে উদ্ধার, পাশে অস্থির দুই পোষা বিড়াল দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের জাগরণ, আটঘরিয়ায় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত * উখিয়া কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় কেটে রাস্তা নির্মাণ ও স্থায়ী বসতি, স্থানীয়দের উদ্যোগ, ভবিষ্যৎ নিয়ে শষ্কা * মান্দায় গভীর রাতে তেল চুরির সিন্ডিকেটে ৬২০০ লিটার ডিজেলসহ লরি জব্দ ও আটক ২ প্রবাসীদের কষ্ট লাঘবে অনলাইন গণশুনানি একটি মাইলফলক: ডিসি জাহিদ গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপিত পরিবেশ ধ্বংসের মহোৎসব: তারাগঞ্জে সেই অবৈধ ‘ফুয়েল টেক’ বন্ধ ও জরিমানা চুয়াডাঙ্গা মুমতাহেনা অহনা নামের এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার সাতক্ষীরায় অপরিপক্ক ৯ হাজার কেজি আম জব্দের পর ধ্বংস গলাচিপার তিন ইউনিয়নে স্বপদে ফিরলেন নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা

ঝিনাইদহে ভ্যানচালককে হত্যায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

 

মোঃ শাকিল রেজা সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামের ভ্যানচালক রবিউল ইসলাম ওরফে রবে হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। খালাস পেয়েছেন সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম মিয়াসহ ১১ জন।

সোমবার (২৩ জুন) বিকেলে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক উৎপল কুমার ভট্টাচার্য এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় সব আসামি আদালতের এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।

নিহত রবিউল ইসলাম ওরফে রবে বিষয়খালী গ্রামের মৃত ইনছার আলী শেখের ছেলে।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- বিষয়খালী গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে মাজেদুল ইসলাম ওরফে মাজু, আশরাফের ছেলে রসুল, মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে আজিজুল এবং মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে গোলাম রসুল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রবিউল ইসলাম ওরফে রবে হত্যার ঘটনায় ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসের ৪ তারিখে সদর থানায় মামলা করেন নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালে আগস্ট মাসের ৩ তারিখে এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য হয়। তবে, সেদিন রায় ঘোষণা করা হয়নি। পরবর্তীতে অন্তত চারটি নির্ধারিত দিনেও রায় ঘোষণা হয়নি। আজ সোমবার বিকেলে রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, নিহত রবিউল ইসলাম ওরফে রবের স্ত্রীর সঙ্গে আসামি গোলাম রসুলের অনৈতিক সম্পর্কের কথা জানাজানি হয়। পরে গ্রাম্য সালিশে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় গোলাম রসুলকে। গোলাম রসুল ও মামলার অন্যান্য আসামিরা তৎকালীন ইউপি মেম্বার খুরশীদ আলমের পক্ষের লোক ছিলেন। সালিশের জেরে ২০০৬ সালের ১০ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে রবিউল ইসলাম ওরফে রবেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় আসামি আজিজুলসহ অন্যরা।

সেদিন থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। প্রায় তিন মাস পর ওই বছরের এপ্রিল মাসের ৪ তারিখে পার্শ্ববর্তী হুমোদার বিলের একটি খালের দক্ষিণ পাড় থেকে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয় রবিউল ইসলাম ওরফে রবের মরদেহ। পরে নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন তার লাশ শনাক্ত করেন। সেদিন ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় হত্যা মামলা করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা