শারমিন আরা,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি,
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাথার চুল জোরপূর্বক কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক এক সভাপতির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অভিভাবক ও অভিযুক্ত পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ওই বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি বহিরাগত একজন নাপিতকে সাথে নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন।
এরপর তিনি শ্রেণী কক্ষে ঢুকে শৃঙ্খলার অজুহাতে এক ছাত্রকে ডেকে এনে জোরপূর্বক তার মাথার চুল কাটতে বাধ্য করেন।
অনেক শিক্ষার্থী এতে আপত্তি জানালেও তা তোয়াক্কা করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থীর জোর করে চুল কাটার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
বহু অভিভাবক তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়ে এসে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে সাবেক সভাপতির সমর্থক এবং ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়,
যা পরবর্তীতে হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
ভুক্তভোগী অভিভাবক এই ঘটনাকে “শিক্ষার্থীদের মানসিক নির্যাতন” ও “বেআইনি” আখ্যা দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।