রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উখিয়া টেকনাফ বিশেষ অভিযান ১০ হাজার ইয়াবাসহ নারী আটক বেনাপোল বাস টার্মিনাল থেকে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার চুয়াডাঙ্গার জনজীবন, পানিবন্দীদের পাশে প্রশাসন শরীফুজ্জামান শরীফ চট্টগ্রাম অঞ্চলের সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে ছয় দিনে ৪৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রাজশাহীতে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ কর্মসূচির উদ্বোধন, প্রধান অতিথি ভূমিমন্ত্রী মিনু গলাচিপায় একাধিক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গায় দামুড়হুদা মডেল মসজিদে নারী জামায়াতের কর্মশালা ঘিরে তীব্র বিতর্ক, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক এস. কে. ইয়াসিন–এর শ্রদ্ধেয় দাদী আজ, ১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, দুপুর ২:০০ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেছেন। সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় সাত লক্ষ টাকার মালামাল আটক রাজশাহীতে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ দম্পতিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে

আটঘরিয়ায় গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু

পাবনা জেলা প্রতিনিধি:

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় গবাদি পশুকে ক্ষুরা রোগ (ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ-এফএমডি) থেকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যাপক ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই, ২০২৬) সকালে আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। এ সময় প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত থেকে খামারিদের সচেতন করেন এবং ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমে অংশ নেন।
আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হোসাইন বলেন, ক্ষুরা রোগ গবাদি পশুর একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন প্রদান করলে এ রোগের সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিও কমে। তাই নির্ধারিত সময়ে সব খামারিকে তাদের গবাদি পশুকে নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম মিশর বলেন, ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। সরকারি এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার অধিক সংখ্যক গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, খামারিরা নির্ধারিত সময়ে পশুকে টিকা প্রদান করলে রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, পশুর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।
এ সময় খামারিদের খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, অসুস্থ পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখা, নতুন পশু খামারে আনার আগে পর্যবেক্ষণে রাখা এবং রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
খামারিরা জানান, সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হলে গবাদি পশুর রোগবালাই কমবে, উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা