সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহ্য হারাচ্ছে গলাচিপা: এবার হচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত বৈশাখী মেলা রাঙামাটিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরাতে বিক্ষোভ সমাবেশে গোমস্তাপুরে জ্ঞানচক্র একাডেমি সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। গাজীপুরে স্ত্রীর লাশ ঘরে রেখে তালাবন্ধ করে পালিয়েছেন স্বামী শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা ছড়াল কক্সবাজার জেলা পুলিশ কুষ্টিয়ায় মাজার ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ পীর নিহত চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর ঝিনাইদহে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত,

চট্টগ্রাম কালুরঘাট রেডিও স্টেশনে স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ ঃ

বিশেষ প্রতিনিধি (আতাউর রহমান)

সরকার চট্টগ্রাম কালুরঘাট রেডিও স্টেশনে একটি আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এর পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ এবং ঐতিহাসিক সম্প্রচার সরঞ্জাম সংরক্ষণের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে ‘কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা রেডিও স্টেশন’ পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ২৫ মার্চের সেই অন্ধকার রাতে পাকিস্তানি আগ্রাসনের পর যখন দেশ অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল, তখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট রেডিও স্টেশন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। এটি মুক্তিযুদ্ধকে নতুন গতি দিয়েছিল এবং জনগণের মধ্যে সাহস ও উদ্দীপনা ফিরিয়ে এনেছিল।

তিনি আরও বলেন, যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায়, সে জাতি টিকে থাকতে পারে না। তাই, কালুরঘাট রেডিও কেন্দ্র এবং শহীদ জিয়ার স্মৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য একটি ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার আওতায় এখানে একটি আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন করা হবে, শহীদ জিয়ার একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে এবং ঐতিহাসিক সম্প্রচারে ব্যবহৃত সরঞ্জাম সংরক্ষণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই উদ্যোগটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বপূর্ণ কাহিনী তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনের সূচনা, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করেছিল।

সেই সময়ে তিনি আরও বলেন যে, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শহীদ জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড যতটা বেদনাদায়ক, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান ততটাই জাতির গর্বের অংশ। মন্ত্রণালয় এই দুটি দিক যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা