রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির বিশাল শোভাযাত্রা ও সমাবেশ, নেতাকর্মীদের ঢল, স্লোগানে মুখর রাজপথ। নতুন প্রজন্মের কাছে ৭ নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে ৩৯ বোতল দেশীয় চোলাই মদসহ তপু রবি দাস (২৪) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গ্রাম পুলিশের ঐতিহাসিক অর্জন: জাতীয় দরবারে গলাচিপার শংকর “চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল গেটের বিপরীতে স্কুলের দেওয়ালে অশালীন ভাষা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের রাজনৈতিক স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠেছে। ফরিদগঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ফরিদগঞ্জ নলডাঙ্গায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা নওগাঁ সাতক্ষীরায় ৫ দিনের ব্যবধানে ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার হেরোইন ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ মহেশপুর জামায়াতের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত ।

কোটচাঁদপুরে সাবেক চেয়ারম্যান নজুসহ পরিবারের ৬ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানাঃ

মো: শাকিল রেজা সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক এমপি শফিকুল আযম চঞ্চলের বিশ্বস্ত সহযোগী ও আওয়ামী লীগের দোসর কোটচাঁদপুরের বলুহর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নজুসহ তার পরিবারের ৬ সদস্যকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছেন আদালত।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহ জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আবজাল হোসেন এ রায় প্রদান করেন।

নজু কোটচাঁদপুর থানার হাড়ভাঙা বিদ্যাধরপুর গ্রামের মৃত লাল চাঁদ মিয়ার ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৬ মার্চ সামাজিক বিরোধের জেরে চেয়ারম্যান নজুর নির্দেশে আসামিরা বেআইনি জনতা বদ্ধ হয়ে একই গ্রামের বাবলু রহমানের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।

ঘটনার পর কোটচাঁদপুর থানা মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানালে বাবলু আদালতের শরণাপন্ন হন। মামলা নং: কোট সি.আর. ৯২/২৪।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বিচারক নজুসহ তার পরিবারের ৬ সদস্যকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১,০০০ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন।

মামলার বাদী বাবলু রহমান বলেন,
এক সময়ের সন্ত্রাসী, নানা অপকর্মের হোতা ও অশিক্ষিত ব বকলম চেয়ারম্যান নজুর দাপটে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারতো না। নানা হুমকি ধামকির পরও আমি সাহস করে মামলা চালিয়ে গিয়েছি।
তবে এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই, উকিলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেব।

দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যান্য আসামিরা হলেন – ইয়ারুল ইসলাম, তাসলিমা খাতুন, সাদ্দাম হোসেন, কল্পনা খাতুন ও পাখি খাতুন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফুল আলম মালিতা জানান, আসামিরা একই পরিবারের সদস্য হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় আদালত তাদের সাজা তুলনামূলক কম দিয়েছেন।
তবে এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে অপরাধীরা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা