বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত টঙ্গীতে সাংবাদিক মহিউদ্দিন রিপনকে অপহরণ, নির্যাতন ও এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সরাইল থানার ওসি মনজুরুল কাদির ভূঁইয়াকে ঘিরে বিতর্ক, ‘ক্ষমতার উৎস কোথায়’—জনমনে প্রশ্ন। সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু গরুর মাংসের নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ আটক-১ জননিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে বিশেষ অবদান: গুণীজন সম্মাননা স্মারক পেলেন ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান পিপিএম সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার, ১৭ দিন কারাভোগের অভিযোগ সাংবাদিক মোঃ জয় সরকারের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হামলা বন্ধের আহ্বান বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি! রায়পুরে মেঘনায় থামছে না মা ইলিশ শিকার

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে পটুয়াখালী: ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত

​খন্দকার জলিল, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

​টানা কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র রৌদ্রতাপ আর ভ্যাপসা গরমে পটুয়াখালী জেলাজুড়ে নেমে এসেছে চরম অস্বস্তি। সকাল গড়াতেই সূর্যের প্রখরতা এতটাই বেড়ে যায় যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তীব্র এই গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ। ​স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অতিরিক্ত বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক তীব্র ও কষ্টদায়ক হচ্ছে। দুপুরের দিকে তীব্র রোদের কারণে রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ছে; থমকে দাঁড়িয়েছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকার চাকা। রিকশাচালক, দিনমজুর ও ভ্যানচালকেরা তীব্র গরমে অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠছেন। জীবনযাত্রার তাগিদে বাইরে বের হলেও অনেকেই বাধ্য হয়ে গাছের ছায়ায় কিংবা ঠান্ডা পানীয়র দোকানে আশ্রয় নিচ্ছেন। তীব্র এই গরমের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পটুয়াখালীর স্বাস্থ্যখাতেও। হাসপাতালগুলোতে দিন দিন গরমজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি এবং পানিশূন্যতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চিকিৎসকেরা সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে শরীর সুস্থ রাখতে প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার খাওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এই তীব্র দাবদাহের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে জেলার কৃষিখাতেও। রোদের তীব্রতায় মাঠে বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না কৃষকেরা। সব মিলিয়ে পটুয়াখালীর সর্বস্তরের মানুষ এখন চাতক পাখির মতো চেয়ে আছেন এক পশলা বৃষ্টির আশায়। একটি স্বস্তির বৃষ্টির অপেক্ষায় এখন দিন গুনছে গোটা পটুয়াখালীবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা