বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভালুকায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত টঙ্গীতে সাংবাদিক মহিউদ্দিন রিপনকে অপহরণ, নির্যাতন ও এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সরাইল থানার ওসি মনজুরুল কাদির ভূঁইয়াকে ঘিরে বিতর্ক, ‘ক্ষমতার উৎস কোথায়’—জনমনে প্রশ্ন। সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু গরুর মাংসের নামে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ আটক-১ জননিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে বিশেষ অবদান: গুণীজন সম্মাননা স্মারক পেলেন ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান পিপিএম সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার, ১৭ দিন কারাভোগের অভিযোগ সাংবাদিক মোঃ জয় সরকারের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হামলা বন্ধের আহ্বান বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের

গলাচিপার তিন ইউনিয়নে স্বপদে ফিরলেন নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা

খন্দকার জলিল, জেলা প্রধান, পটুয়াখালী: ​দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আইনি জটিলতা আর অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদে জনমতের জয় হয়েছে। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসনের আদেশে পুনরায় নিজ নিজ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন নির্বাচিত তিন জনপ্রতিনিধি। ​আদালতের রায়ে যে তিন জনপ্রতিনিধি স্বপদে বহাল হয়েছেন তারা হলেন: • ​গলাচিপা সদর ইউনিয়ন: মো. জাহাঙ্গীর হোসেন টুটু • ​আমখোলা ইউনিয়ন: মো. কামরুজ্জামান মনির হাওলাদার • ​কলাগাছিয়া ইউনিয়ন: মো. মাইনুল ইসলাম ​সূত্রমতে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই তিন জনপ্রতিনিধি নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে আইনী জটিলতার কারনে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক এসব ইউনিয়নে ‘প্রশাসক’ নিয়োগ দেয়। জনগণের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখতে উক্ত চেয়ারম্যানগণ উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের রায় এবং সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী গত ২৮ তারিখ একটি দাপ্তরিক চিঠি জারী করেন। উক্ত চিঠির মাধ্যমেই তাদের পুনরায় স্ব-স্ব দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ​চেয়ারম্যানদের স্বপদে ফেরার সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব ফিরে পাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়া উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আবারও গতিশীল হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ ও নাগরিক সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা দ্রুত কেটে যাবে বলে আমরা আশা করছি। ​সচেতন মহলের মতে, এই রায় শুধু তিন ব্যক্তির পদ ফিরে পাওয়া নয়, বরং এটি গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং জনগণের ভোটাধিকারের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ​দায়িত্বভার গ্রহণের পর এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় চেয়ারম্যানরা বলেন, “আমরা শুরু থেকেই আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম। আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে যে সত্য ও ন্যায়বিচার সর্বদা বিজয়ী হয়। আমাদের প্রধান লক্ষ্য এখন স্থগিত হয়ে যাওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করা এবং দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের সেবা নিশ্চিত করা।” ​তারা আরও জানান, বিগত দিনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠে ইউনিয়নের সার্বিক অগ্রগতি ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা বদ্ধপরিকর। এসময় তারা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা