শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চুয়াডাঙ্গায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু: নতুন বাসা থেকে উদ্ধার, পাশে অস্থির দুই পোষা বিড়াল দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের জাগরণ, আটঘরিয়ায় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত * উখিয়া কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় কেটে রাস্তা নির্মাণ ও স্থায়ী বসতি, স্থানীয়দের উদ্যোগ, ভবিষ্যৎ নিয়ে শষ্কা * মান্দায় গভীর রাতে তেল চুরির সিন্ডিকেটে ৬২০০ লিটার ডিজেলসহ লরি জব্দ ও আটক ২ প্রবাসীদের কষ্ট লাঘবে অনলাইন গণশুনানি একটি মাইলফলক: ডিসি জাহিদ গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপিত পরিবেশ ধ্বংসের মহোৎসব: তারাগঞ্জে সেই অবৈধ ‘ফুয়েল টেক’ বন্ধ ও জরিমানা চুয়াডাঙ্গা মুমতাহেনা অহনা নামের এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার সাতক্ষীরায় অপরিপক্ক ৯ হাজার কেজি আম জব্দের পর ধ্বংস গলাচিপার তিন ইউনিয়নে স্বপদে ফিরলেন নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা

কেরানীগঞ্জে চলছে “সালশা পিনিক” নামের মাদকবাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রশাসনের নাকের ডগায় কেরানীগঞ্জে সন্ধ্যার পর থেকেই “সালশা পিনিক” নামের মাদকবাণিজ্য জমে ওঠে। কদমতলী, তেলঘাট, চুনকুটিয়া হিজলতলা ও জনি টাওয়ার এলাকায় অবস্থিত এসব দোকানকে কেন্দ্র করে কিশোর থেকে তরুণ বয়সী ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছে। দোকানগুলো বহিরঙ্গনভাবে সাধারণ হলেও ভেতরে টেবিল, বেঞ্চ, চেয়ার এবং সোফা সাজানো। দোকানগুলোতে কোনো সাইনবোর্ড নেই। তবে এসব দোকানের আসল উদ্দেশ্য হল মাদকবাণিজ্য। “সালশা পিনিক” হলো নেশার একটি মাধ্যম, যা স্নায়ু উত্তেজক ও ক্যাফেইন জাতীয় মাদকসমৃদ্ধ। এর মাত্রা অনুসারে এক বোতলের দাম ১৫০–২৫০ টাকা। দীর্ঘদিন অনুসন্ধানের পর জানা গেছে, এই পিনিকের মূল উৎপাদক প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার নারিন্দায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন মালিক রুহুল আমিন কবিরাজ মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি সুমনা ও নাঈম নামে দু’জন এই বিপজ্জনক পিনিক তৈরি করছে। এদের কোনো বৈধ হেকিমি বা আয়ুর্বেদিক প্রশিক্ষণ নেই। কেরানীগঞ্জে মোট ৯টি সালশা পিনিকের দোকান রয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা মূল্যের মাদকসমৃদ্ধ পিনিক বিক্রি হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, নানা বয়সী কিশোর ও যুবকরা এক বোতল সালশা পিনিক নিয়ে স্নায়ু উত্তেজক ও মাদকীয় প্রভাবের কারণে বুঁদ হয়ে যায়। অনুসন্ধান reveals, “শুভ আজমেরী দাওয়াখানা” নামের প্রতিষ্ঠান এই পিনিক তৈরি ও বাজারজাত করছে। মালিক হেকিম পরিচয়ধারী নাঈম মূলত ভুয়া কবিরাজ, যার কারখানা নারিন্দার ঋষিকেশ রোডে হলেও চলতি বছরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান শেষে বিভিন্ন উপকরণ ও পিনিক বোতল জব্দ করা হয়। নাঈমের ভাই নাসির কেরানীগঞ্জের তেলঘাট, হিজলতলা ও জনি টাওয়ারে তিনটি দোকান পরিচালনা করছে। এদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, এসব দোকান বন্ধ না হলে কিশোর ও যুব সমাজ নেশার পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই ও অপরাধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় ও সচেতন মহল প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন, কেরানীগঞ্জের এসব ভয়ংকর মাদকবাণিজ্য বন্ধ করতে অতি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে নাসির ও নাঈমসহ জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা