মোঃ শহিদুল ইসলাম রতন সিনিয়র রিপোর্টার জয়পুরহাট
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন বিএনপি নেতা মোঃ ওয়াহেদ খাঁন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১’টায় বাগজানা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে অটোরিক্সার ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। এসময় তাকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় এ বিএনপি নেতা সবাইকে বিদায় জানিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। বিএনপি নেতা ওয়াহেদ খাঁনের অকাল মৃত্যুতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান, পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাইফুল ইসলাম ডালিম, সম্পাদক আব্দুল হান্নান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবু তাহের, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আবু হাসনাত মন্ডল হেলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ফেরদৌস রাইট, বাগজানা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোঃ নাজমুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রাজু মাষ্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা, যুবদল নেতা হযরত আলী ও মোঃ সাদ্দাম হোসেন শোক প্রকাশ করেন। তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের ৯’ নং ওয়ার্ড বিএনপির দীর্ঘদিনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। শিক্ষকতা জীবনে পাশাপাশি তিনি বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ ও তুখর রাজনৈতিক বক্তা ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখার সময় থেকেই মরহুম ওয়াহেদ খাঁন বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পরেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখার সময় তিনি বিএনপির বর্ষিয়ান নেতা আমানুল্লাহ আমানের সহযোদ্ধা ও রুমমেট ছিলেন। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি সারাক্ষণ বিএনপির জন্য লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন। মরহুম এ বিএনপি নেতার একমাত্র ছেলে মামুন খাঁন সেও বাবার পথেই ছাত্রদল ও বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পরেন। মামুন ছাত্রজীবনে রাজশাহী নিউ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার সুবাদে ছাত্রদলের রাজনীতি করেন।