সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
৬৪ জেলার সাংবাদিকদের মিলন মেলায়, দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জমকালো আয়োজনে দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ৬৪ জেলার সাংবাদিকদের মিলনমেলা, সাংবাদিক সুরক্ষা আইনসহ গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পল্লবী থানার ওসি মো. হাসান বাসিরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জাতীয় দৈনিক মাতৃজগতের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কাফরুল থানার ওসি মোঃ সাইফুল ইসলামের শুভেচ্ছা সিএনজিতে ইয়াবা বহন, ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার। ভোলার লালমোহনের কৃতী সন্তান রূপনগর থানার ওসি মোহাম্মদ নোমান হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ রূপনগর থানায় ওসি মোহাম্মদ নোমান হোসেনের মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা মাদক-সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে কঠোরতা, সাধারণ মানুষের পাশে থেকে আস্থা অর্জনের চেষ্টা গলাচিপায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটার মোঃ ইয়াসিন আরাফাত শান্তর ক্রিকেট ক্যারিয়ার অব্যাহত রাখা এবং পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতায় সহায়তা করার লক্ষ্যে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন, ময়মনসিংহ। ক্রীড়াই শক্তি- ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল” খেলাধুলায় গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

ভাঙনের থাবায় গলাচিপার পাকা সড়ক নদীগর্ভে, যোগাযোগ ব্যবস্থা হুমকিতে

খন্দকার জলিল, স্টাফ রিপোর্টার

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের মুসুরি কাঠি গ্রামের ভেরী বাঁধের পাকা রাস্তা ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে। প্রায় দুই বছর আগে এ ভাঙন শুরু হয় এবং জাতীয় পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তখন এ বিষয়ে অবহিত করা হলে তারা জানায়, আরও ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙন রয়েছে—সেগুলো আগে সামলাতে হবে। কিন্তু এ ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় আজ ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমানে আমখোলা বাজারের দক্ষিণ পাশ দিয়ে প্রায় এক চতুর্থাংশ কিলোমিটার রাস্তার অর্ধেক অংশ নদীতে ভেঙে পড়েছে। এতে বাস, ট্রাকসহ সকল যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। এ সড়কটি গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলা থেকে পটুয়াখালী জেলা সদরে যাওয়ার একমাত্র পথ হওয়ায় যেকোনো সময় পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।

নদী পাড়ে বসবাসরত মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক। শুধু তাই নয়, বর্ষা মৌসুমে বৈরী আবহাওয়া বা ঘুর্নিঝড় দেখা দিলে পুরো রাস্তাটি ভেঙে গেলে ফসলি জমি, মানুষের বসতি ও গবাদি পশুর জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে। এ নিয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন তারা।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলছে, ভাঙন রোধে গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হলেও তা কোনো কাজে আসছে না। নদীর তলদেশের মাটি সরে গেলে কেবল উপরের গাইড ওয়াল দিয়ে ভাঙন ঠেকানো সম্ভব নয়। এভাবে ভুল পরিকল্পনা গ্রহণের কারণে সরকারের কোটি কোটি টাকা পানিতে ভেসে যাচ্ছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ পরিকল্পনা না করে কেন গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হলো?

সাধারণ মানুষের দাবি, বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিৎ। অন্যথায় পুরো সড়ক বিলীন হয়ে গেলে গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়বে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিক্ষা, চিকিৎসা ও অর্থনীতির সব খাত।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা