শারমিন আরা
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি,
ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা ফারদিন আহম্মেদ নীরব হত্যার ঘটনায় তিন আসামীকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
বুধবার থেকে তাদের তিনদিনের রিামান্ড শুরু হয়েছে। জেলা পুলিশের একটি সুত্র এ তথ্য জানায়।
রিমান্ডে থাকা আসামীরা হলেন আওয়ামী লীগ নেতা সৃজনী হারুনের তাজ ফিলিং স্টেশনের তিন কর্মচারী ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বারোইখালি গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে নাসিম, আড়ূয়াকান্দি গ্রামের ইউনূস আলীর ছেলে রমিজুল ও কাস্টসাগরা গ্রামের সোফিয়ার রহমানের ছেলে আবু দাউদ।
আসামীদের মধ্যে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আলমগীর হোসেন পলাতক রয়েছে।
পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা পিটিয়ে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা করেন। তারা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা ফারদিন আহম্মেদ নীরব তেল নিতে আসলে তাদের সঙ্গে অহেতুক তর্কে জড়ায়। এরপর পাম্পের চার কর্মীচারি ক্ষুদ্ধ হয়ে নীরবকে লাঠি দিয়ে মাথার পেছনে ও ঘাড়ে আঘাত করে। এতে তার মৃত্যু হয়।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুল আরেফিন জানান, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় আ’লীগ নেতা ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পাম্প কর্মচারিদের হামলায় নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী ফারদিন আহম্মেদ নীরব।
এ ঘটনায় র্যাব ও পুলিশ তাৎক্ষনিত ভাবে হত্যার সঙ্গে জড়িত পাম্পের ৩ কর্মচারিকে গ্রেফতার করে। নীরব হত্যার পর আ’লীগে নেতার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্প ভাংচুর করা হয়। চেষ্টা চালায়, কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় তারা একই মালিকের আরাপপুর সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।