বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মান্দায় গভীর রাতে তেল চুরির সিন্ডিকেটে ৬২০০ লিটার ডিজেলসহ লরি জব্দ ও আটক ২ প্রবাসীদের কষ্ট লাঘবে অনলাইন গণশুনানি একটি মাইলফলক: ডিসি জাহিদ গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপিত পরিবেশ ধ্বংসের মহোৎসব: তারাগঞ্জে সেই অবৈধ ‘ফুয়েল টেক’ বন্ধ ও জরিমানা চুয়াডাঙ্গা মুমতাহেনা অহনা নামের এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার সাতক্ষীরায় অপরিপক্ক ৯ হাজার কেজি আম জব্দের পর ধ্বংস গলাচিপার তিন ইউনিয়নে স্বপদে ফিরলেন নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক ও বালিকা ২০২৬ উদ্বোধন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির (আংশিক) ঘোষণা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা নীরব হত্যাকাণ্ড: আ’লীগ নেতা সৃজনী হারুনের তিন কর্মচারী রিমান্ডে

শারমিন আরা
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা ফারদিন আহম্মেদ নীরব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
বুধবার থেকে তাদের তিন দিনের রিমান্ড শুরু হয়েছে বলে জেলা পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
রিমান্ডে থাকা আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগ নেতা সৃজনী হারুনের মালিকানাধীন তাজ ফিলিং স্টেশনের তিন কর্মচারী: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বারোইখালি গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে নাসিম, আড়ুয়াকান্দি গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে রমিজুল এবং কাস্টসাগরা গ্রামের সফিয়ার রহমানের ছেলে আবু দাউদ।
এ ঘটনায় সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আলমগীর হোসেন পলাতক রয়েছেন।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা নীরবকে পিটিয়ে হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন। তারা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা ফারদিন আহম্মেদ নীরব তেল নিতে পাম্পে আসলে তাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পাম্পের চার কর্মচারী ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে তার মাথার পেছনে ও ঘাড়ে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুল আরেফিন জানান, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পাম্প কর্মচারীদের হামলায় নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী ফারদিন আহম্মেদ নীরব।
এ ঘটনায় র‍্যাব ও পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পাম্পের তিন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে।
নীরব হত্যার পর বিক্ষুব্ধ লোকজন আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে একই মালিকের আরাপপুরের সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা, ভাঙচুর এবং তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা