ফরহাদ রহমান
স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার
কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপকূলীয় সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কোস্ট গার্ড সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি অসাধু চক্র কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপকূলীয় সমুদ্র এলাকায় পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। তবে তাদের দমনে কোস্ট গার্ড ইতোমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টা টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।
এছাড়া অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন নাফ নদী ও সমুদ্র সীমান্ত এলাকায় চলাচলকারী সব ধরনের জলযান ও সন্দেহজনক গতিবিধি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গত দুই মাসে পরিচালিত একাধিক বিশেষ অভিযানে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ ৩০ জন ডাকাত ও জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এ সময় জলদস্যুদের কবলে জিম্মি থাকা ৩২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় বুধবার দিনব্যাপী কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ ‘শ্যামল বাংলা’ এবং কোস্ট গার্ড স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী, কুতুবদিয়া ও শাহপরীর সমন্বয়ে সংশ্লিষ্ট সমুদ্র এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের সাগর, নদীপথ ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।