শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চুয়াডাঙ্গায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু: নতুন বাসা থেকে উদ্ধার, পাশে অস্থির দুই পোষা বিড়াল দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের জাগরণ, আটঘরিয়ায় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত * উখিয়া কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় কেটে রাস্তা নির্মাণ ও স্থায়ী বসতি, স্থানীয়দের উদ্যোগ, ভবিষ্যৎ নিয়ে শষ্কা * মান্দায় গভীর রাতে তেল চুরির সিন্ডিকেটে ৬২০০ লিটার ডিজেলসহ লরি জব্দ ও আটক ২ প্রবাসীদের কষ্ট লাঘবে অনলাইন গণশুনানি একটি মাইলফলক: ডিসি জাহিদ গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপিত পরিবেশ ধ্বংসের মহোৎসব: তারাগঞ্জে সেই অবৈধ ‘ফুয়েল টেক’ বন্ধ ও জরিমানা চুয়াডাঙ্গা মুমতাহেনা অহনা নামের এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার সাতক্ষীরায় অপরিপক্ক ৯ হাজার কেজি আম জব্দের পর ধ্বংস গলাচিপার তিন ইউনিয়নে স্বপদে ফিরলেন নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা

এ্যাড. মো. মোকলেছুর রহমানের মৃত্যুতে হাল ধরলেন এ্যাড. মো. মনিরুল ইসলাম

খন্দকার জলিল, জেলা ব্যুরো প্রধান, পটুয়াখালী পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র আইনজীবী এ্যাডভোকেট মো. মোকলেছুর রহমান গত ১৭ অক্টোবর দুপুরের দিকে নিজ বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার আকস্মিক মৃত্যুসংবাদে সহকর্মী, বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ এবং আইনাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। মোকলেছুর রহমানের চলমান মামলাগুলো নিয়ে বিচারপ্রার্থী মানুষের মনে দেখা দেয় অনিশ্চয়তা ও নানা জল্পনা-কল্পনা। তারা ভাবতে শুরু করেন—এতো অভিজ্ঞ ও দক্ষ আইনজীবীর মৃত্যুর পর তাদের মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে, ন্যায়বিচার পেতে হয়তো বাধার সম্মুখীন হতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সে উদ্বেগ দূর করতে এগিয়ে আসেন একই আদালতের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম (৫) তিনি মোকলেছুর রহমানের অধীনে থাকা দায়ভার গ্রহণ করে মামলাগুলো পরিচালনার দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। তারা মনে করেন—অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল একজন আইনজীবীর হাতে তাদের মামলাগুলো নিরাপদ। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মনিরুল ইসলাম নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও সুনামের সাথে মামলাগুলো পরিচালনা করে যাচ্ছেন। আদালতে তার উপস্থিতি, নিয়মিত অনুস্মারক প্রদান, মামলা তদারকির আন্তরিকতা এবং বিচারপ্রার্থীদের সাথে মানবিক আচরণ তাকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

মোকলেছুর রহমানের মৃত্যুর পর যে শুন্যতা তৈরি হয়েছিল, মনিরুল ইসলাম তার দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে তা অনেকটা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার এই উদ্যোগ বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে ন্যায়বিচারের আশার আলো জ্বালিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা