রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরপুর প্রেসক্লাবে সাদ্দাম হোসেন জয় ও একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মিরপুর মডেল থানার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের আবেগঘন স্ট্যাটাস। ময়মনসিংহ জেলার ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে নির্বাচিত সেরা পরিচ্ছন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘Dc’s Award for Cleanliness’ পুরস্কার লাভ করেছে। ঝিনাইদহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবলের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধন: উদ্বোধনী ম্যাচেই সদর উপজেলার ৭-১ গোলের বিশাল জয়, বাগেরহাট এ র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ৯ হাজার ৭৩০পিস ইয়াবাসহ এক মাদকব্যবসায়ী আটক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত আমিরের সাক্ষাৎ ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার গাজীপুরে, সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ।

এ্যাড. মো. মোকলেছুর রহমানের মৃত্যুতে হাল ধরলেন এ্যাড. মো. মনিরুল ইসলাম

খন্দকার জলিল, জেলা ব্যুরো প্রধান, পটুয়াখালী পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র আইনজীবী এ্যাডভোকেট মো. মোকলেছুর রহমান গত ১৭ অক্টোবর দুপুরের দিকে নিজ বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার আকস্মিক মৃত্যুসংবাদে সহকর্মী, বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ এবং আইনাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। মোকলেছুর রহমানের চলমান মামলাগুলো নিয়ে বিচারপ্রার্থী মানুষের মনে দেখা দেয় অনিশ্চয়তা ও নানা জল্পনা-কল্পনা। তারা ভাবতে শুরু করেন—এতো অভিজ্ঞ ও দক্ষ আইনজীবীর মৃত্যুর পর তাদের মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে, ন্যায়বিচার পেতে হয়তো বাধার সম্মুখীন হতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সে উদ্বেগ দূর করতে এগিয়ে আসেন একই আদালতের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম (৫) তিনি মোকলেছুর রহমানের অধীনে থাকা দায়ভার গ্রহণ করে মামলাগুলো পরিচালনার দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। তারা মনে করেন—অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল একজন আইনজীবীর হাতে তাদের মামলাগুলো নিরাপদ। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মনিরুল ইসলাম নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও সুনামের সাথে মামলাগুলো পরিচালনা করে যাচ্ছেন। আদালতে তার উপস্থিতি, নিয়মিত অনুস্মারক প্রদান, মামলা তদারকির আন্তরিকতা এবং বিচারপ্রার্থীদের সাথে মানবিক আচরণ তাকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

মোকলেছুর রহমানের মৃত্যুর পর যে শুন্যতা তৈরি হয়েছিল, মনিরুল ইসলাম তার দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে তা অনেকটা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার এই উদ্যোগ বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে ন্যায়বিচারের আশার আলো জ্বালিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা