শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কুতুকছড়িতে ভোরের গুলিতে নিহত ইউপিডিএফ নেতাঃ বাড়ছে ‘ভাতৃঘাতি সংঘাত’ নিয়ে উদ্বেগ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অসহায় ও ভূমিহীনদের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে তানিম হোসেন (২০) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার মনপুরায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিদায় পরীক্ষার্থীদের দোয়া, নবীন বরণ ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আদর করার হাতেই চাপাতির কোপ! শাহজাদপুরে ৫ বছরের শিশুর নৃশংস মৃত্যু গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি ঘিরে পেশাজীবী দলের অভূতপূর্ব সংবর্ধনা দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী গোমস্তাপুরে ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ মেলার শুভ উদ্বোধন।

রমজানে ‘ভোরের ডাক’ স্লিপ দিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের চাঁদাবাজির অভিযোগ

প্রতিবেদক,ফয়জুল্লাহ স্বাধীন:

রাজধানীর মিরপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে পবিত্র রমজান মাসে ‘ভোরের ডাক’ স্লিপ ব্যবহার করে কিশোর গ্যাংয়ের চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সেহরির সময় মানুষকে না ডাকলেও বিভিন্ন বাসায় গিয়ে জোরপূর্বক টাকা আদায় করছে একটি গ্রুপ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন ব্লকে বাসা প্রতি ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দাবি করা হচ্ছে, এটি নাকি সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত রশিদ। তবে এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন থেকে কোনো নির্দেশনা নেই বলে স্থানীয়রা জানান।

অভিযোগ রয়েছে, ‘চটপটি লিমন’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি এবং তার ছোট ভাই ইমন,আলামিন ও আকাশের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ বাসায় বাসায় গিয়ে ‘ভোরের ডাক’ স্লিপ দিয়ে টাকা সংগ্রহ করছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভোরে সেহরির সময় কাউকে ডাকাও হয় না, তবুও স্লিপ দেখিয়ে অনেকটা জোরপূর্বক অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা আরও জানান, অনেক সময় মানুষকে জিম্মি অবস্থায় ফেলে বা অনুরোধ–আকুতি করে টাকা নিতে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে,পাশাপাশি অনেকে টাকা না দেওয়া সংহতি প্রকাশ করেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী বাধা দিতে গেলে তাদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এলাকাবাসীর দাবি, আওয়ামী লীগের আমল থেকেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে ওই গ্রুপটি এবং এলাকায় তারা কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এছাড়া এলাকায় গিয়েও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা