রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির বিশাল শোভাযাত্রা ও সমাবেশ, নেতাকর্মীদের ঢল, স্লোগানে মুখর রাজপথ। নতুন প্রজন্মের কাছে ৭ নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে ৩৯ বোতল দেশীয় চোলাই মদসহ তপু রবি দাস (২৪) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গ্রাম পুলিশের ঐতিহাসিক অর্জন: জাতীয় দরবারে গলাচিপার শংকর “চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল গেটের বিপরীতে স্কুলের দেওয়ালে অশালীন ভাষা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের রাজনৈতিক স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠেছে। ফরিদগঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ফরিদগঞ্জ নলডাঙ্গায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা নওগাঁ সাতক্ষীরায় ৫ দিনের ব্যবধানে ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার হেরোইন ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ মহেশপুর জামায়াতের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত ।

নীলফামারীর ওয়ালীউল্লাহ অলি বিশ্ব হ্যান্ডরাইটিং চ্যাম্পিয়ন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের গৌরব

মো: মেরাজুল ইসলাম, রংপুর প্রতিনিধি :

বাংলাদেশের নাম বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল করে তুলেছেন নীলফামারীর কৃতি সন্তান মো: ওয়ালীউল্লাহ অলি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে তিনি ১৭ অক্টোবর ২০২৫-এ “World Handwriting Contest 2025”-এর চ্যাম্পিয়নের মুকুট জয় করেছেন।

নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার সিঙ্গের গাড়ি গ্রামের সন্তান মো: ওয়ালীউল্লাহ অলি বর্তমানে গ্রামীণ ব্যাংকের সাতগাড়া, রংপুর শাখায় সিনিয়র অফিসার পদে কর্মরত। শৈশব থেকেই তাঁর হাতের লেখা ছিল অনন্য। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত টানা হাতের লেখার উৎকর্ষতার জন্য একাধিকবার বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

ওয়ালীউল্লাহ অলি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেননি। নিজের আগ্রহ, ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি হাতের লেখাকে শৈল্পিক রূপ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি সবসময় অনুকরণপ্রিয়। কারো সুন্দর লেখা চোখে পড়লেই তা অনুকরণ করার চেষ্টা করতাম। আমার বড় ভাই মিলু ভাইয়ের হাতের লেখা ছিল আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।”

২০২২ সালে “World Handwriting Contest”-এর একটি বিজ্ঞাপন চোখে পড়ার পর তিনি আবারও নিয়মিত লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। এরপর বিশ্বের খ্যাতনামা হ্যান্ডরাইটিং চ্যাম্পিয়নদের লেখা সংগ্রহ করে অধ্যয়ন ও অনুশীলন শুরু করেন। নিজের লেখা তিনি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাঁর লেখা সেরাদের চেয়ে এগিয়ে থাকত।

প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, কম্পিটিশনের বিজ্ঞাপন প্রতিবছর এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়, লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ থাকে ৩০ জুন, এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় অক্টোবরের ১৫ তারিখে। ওয়ালীউল্লাহ অলির চ্যাম্পিয়ন হওয়া এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটেছে।

ওয়ালীউল্লাহ অলি বলেন, “এই সাফল্য শুধুমাত্র আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি বাংলাদেশের গর্ব। আমি চাই, আমার এই অর্জন দেশের তরুণদের অনুপ্রেরণা জোগাক—তারা যেন বিশ্বাস করে, অধ্যবসায় ও পরিশ্রম থাকলে অসম্ভবও সম্ভব।”

প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত “World Handwriting Contest”-এ বিশ্বের শতাধিক দেশ থেকে হাজার হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। এবারের আসরে বাংলাদেশের এই কৃতিসন্তান দেশের গৌরব বাড়িয়েছেন এবং বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিভার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় বা অনলাইন উৎস থেকে আগ্রহীরা “World Handwriting Competition” লিখে গুগলে সার্চ করলে বিস্তারিত তথ্য সহজেই জানতে পারেন


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা