সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহ্য হারাচ্ছে গলাচিপা: এবার হচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত বৈশাখী মেলা রাঙামাটিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরাতে বিক্ষোভ সমাবেশে গোমস্তাপুরে জ্ঞানচক্র একাডেমি সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। গাজীপুরে স্ত্রীর লাশ ঘরে রেখে তালাবন্ধ করে পালিয়েছেন স্বামী শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা ছড়াল কক্সবাজার জেলা পুলিশ কুষ্টিয়ায় মাজার ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ পীর নিহত চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর ঝিনাইদহে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত,

ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা নীরব হত্যাকাণ্ড: আ’লীগ নেতা সৃজনী হারুনের তিন কর্মচারী রিমান্ডে

শারমিন আরা
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা ফারদিন আহম্মেদ নীরব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
বুধবার থেকে তাদের তিন দিনের রিমান্ড শুরু হয়েছে বলে জেলা পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
রিমান্ডে থাকা আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগ নেতা সৃজনী হারুনের মালিকানাধীন তাজ ফিলিং স্টেশনের তিন কর্মচারী: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বারোইখালি গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে নাসিম, আড়ুয়াকান্দি গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে রমিজুল এবং কাস্টসাগরা গ্রামের সফিয়ার রহমানের ছেলে আবু দাউদ।
এ ঘটনায় সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আলমগীর হোসেন পলাতক রয়েছেন।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা নীরবকে পিটিয়ে হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন। তারা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা ফারদিন আহম্মেদ নীরব তেল নিতে পাম্পে আসলে তাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পাম্পের চার কর্মচারী ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে তার মাথার পেছনে ও ঘাড়ে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুল আরেফিন জানান, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পাম্প কর্মচারীদের হামলায় নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী ফারদিন আহম্মেদ নীরব।
এ ঘটনায় র‍্যাব ও পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পাম্পের তিন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে।
নীরব হত্যার পর বিক্ষুব্ধ লোকজন আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে একই মালিকের আরাপপুরের সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা, ভাঙচুর এবং তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা