রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির বিশাল শোভাযাত্রা ও সমাবেশ, নেতাকর্মীদের ঢল, স্লোগানে মুখর রাজপথ। নতুন প্রজন্মের কাছে ৭ নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে ৩৯ বোতল দেশীয় চোলাই মদসহ তপু রবি দাস (২৪) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গ্রাম পুলিশের ঐতিহাসিক অর্জন: জাতীয় দরবারে গলাচিপার শংকর “চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল গেটের বিপরীতে স্কুলের দেওয়ালে অশালীন ভাষা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের রাজনৈতিক স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠেছে। ফরিদগঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ফরিদগঞ্জ নলডাঙ্গায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা নওগাঁ সাতক্ষীরায় ৫ দিনের ব্যবধানে ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার হেরোইন ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ মহেশপুর জামায়াতের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত ।

জেলা সমবায় কর্মকর্তা দুর্নীতির দায়ে বদলি – চেয়ার ছাড়তে নারাজ

মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ ‌

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি :-
দুর্নীতির অভিযোগের পর আজ থেকে ৫ মাস আগে প্রশাসনিক কারণে বদলি হয়েছেন। তবুও নানা ছলে-বলে-কৌশলে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা সমবায় কর্মকর্তা কাজী বাবুল হোসেন। এরই মধ্যে তিনি বদলির আদেশ স্থগিত চেয়ে সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক বরাবর একটি আবেদনও করেন। সে আবেদনের প্রেক্ষিতে সেসময় তার বদলির আদেশ স্থগিত হয়।
সেই স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি।
এরপরও এখনো স্বাভাবিকভাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে কাজী বাবুল হোসেনের বিরুদ্ধে। এমনকী দপ্তরের বিভিন্ন লেনদেন ও হিসাব-নিকাশেও তিনি স্বাক্ষর করছেন বলে জানা গেছে। ২০২২ সালের ২৬ ডিসেম্বর কাজী বাবুল হোসেন চুয়াডাঙ্গা জেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে যোগদান করেন।দায়িত্ব পালনকালীন সময় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ে অধিদপ্তরে।পরবর্তীতে তদন্ত শেষে প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে সমবায় অধিদপ্তরের অতিরিক্ত নিবন্ধক (প্রশাসন, মাসউ ও ফাইন্যান্স) মোহাম্মদ হাফিজুল হায়দার চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আদেশে গত ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তাকে কুষ্টিয়া জেলা সমবায় কার্যালয়ে উপ-সহকারী নিবন্ধক পদে বদলি করা হয়।
এরপর গত ৩০ নভেম্বর বিভাগীয় কার্যালয় থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে রিলিজও দেওয়া হয়। কিন্তু রিলিজ পাওয়ার পরও তিনি নিয়মিতভাবে চুয়াডাঙ্গা জেলা সমবায় কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে জানা যায়।
এর মধ্যে কাজী বাবুল হোসেন তার বদলির আদেশ স্থগিত চেয়ে অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনে তার ছেলে-মেয়েরা চুয়াডাঙ্গায় পড়াশুনা করছেন এবং সামনে তাদের বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে কাজী বাবুল হোসেনের ওই বদলির আদেশ চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পযন্ত স্থগিত করা হয়। এরপর ওই স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হলেও তিনি চলতি মার্চ মাসজুড়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাজী বাবুল হোসেনের স্ত্রী কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের ইসলামি শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।তার বড় ছেলে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে এইসএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং তার ছোট ছেলে কুষ্টিয়া শহরের উপকন্ঠে হাফেজিয়া মার্দাসায় হেফজোরত এবং তার মেয়ে কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত।
অথচ তিনি তার আদেশ স্থগিতকরণের আবেদনে নিজের পরিবারের সদস্যরা তার সাথে চুয়াডাঙ্গা অবস্থান করেন বলে উল্লেখ করেন।
সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা সমবায় কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার কথা কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী নিবন্ধক আনিছুর রহমানের। তাকেও এখনো চুয়াডাঙ্গায় যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে এখনো কার্যত দায়িত্বে বহাল রয়েছেন কাজী বাবুল হোসেন।এ বিষয়ে কাজী বাবুল হোসেন বলেন, বদলি হয়েছে, কিন্তু এখনো যোগদান করিনি। তবে দ্রুতই কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ে যোগদান করবো।অপরদিকে, উপ-সহকারী নিবন্ধক আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমি চুয়াডাঙ্গায় যোগদান করতে প্রস্তুত আছি। তবে অধিদপ্তর থেকে এখনো কিছু জানায়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আদেশ দিলেই যোগদান করবো


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা