রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কক্সবাজার জেলা অভিষেক উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে ছাগল বিতরণে ওজন জালিয়াতি: হট্টগোলের মুখে বিতরণ স্থগিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে কৃষক লোকমান মিয়ার ওপর গভীর রাতে অতর্কিত হামলার অভিযোগ ঝিনাইদহে হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার শিশু মৃত্যুর ঘটনায় লাকসাম ইউনিটি ট্রমা হাসপাতাল বন্ধ রহস্যে ঘেরা কিশোরের নিথর দেহ: শাহজাদপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে আতঙ্ক কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ১০ ডাকাত আটক, ৯ জন উদ্ধার ঝিনাইদহে সাইবার ক্রাইম সেলের উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ও টাকা ফেরত। লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি: জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু

ঘোড়াঘাটে ৩০ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ভরসা কেবল একজন ফার্মাসিস্ট।

সাহারুল ইসলাম ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌর সদরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন নানা সমস্যায় জর্জরিত। চিকিৎসক সংকট, জরাজীর্ণ ভবন আর ময়লা-আবর্জনার স্তুপে মুখ থুবড়ে পড়েছে এ অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে কোনো এমবিবিএস ডাক্তার না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘোড়াঘাট পৌর সদরের এই উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বর্তমানে যেন একটি পরিত্যক্ত আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ময়লা-আবর্জনা, আর ভেতরে কুকুর-বেড়ালের অবাধ বিচরণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে এখানে বসে মাদকসেবীদের আস্তানা। অথচ একটি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেখানে অন্তত একজন এমবিবিএস ডাক্তার থাকার কথা, সেখানে দীর্ঘ দিন ধরে কোনো চিকিৎসকের দেখা নেই। বর্তমানে জরাজীর্ণ একটি ঘরে একজন মাত্র ফার্মাসিস্ট দিয়ে কোনোমতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কেন্দ্রটি। নামমাত্র কিছু প্রাথমিক সেবা দেওয়া হলেও গুরুতর বা সাধারণ রোগের জন্য কোনো আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম বা ওষুধ এখানে পাওয়া যায় না। বিগত সরকারের আমলে একাধিক জনপ্রতিনিধি এই উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও, বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়নি। এলাকার প্রায় ৩০ হাজার বাসিন্দার চিকিৎসাসেবার ভরসা এই কেন্দ্রটি অকেজো হয়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও অসহায় মানুষ। সামান্য জ্বরে বা প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনেও রোগীদের এখন ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হচ্ছে। যাতায়াত খরচ আর সময়ের অপচয়ে অনেক সময় গরিব রোগীরা সঠিক সময়ে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখানে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হোক। যাতে সাধারণ মানুষকে সামান্য চিকিৎসার জন্য মাইলের পর মাইল পাড়ি দিতে না হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রশাসনের নজরদারির অভাবকে দায়ী করছেন সচেতন মহল। তবে জনস্বার্থে দ্রত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা