বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল টেকনাফের হোয়াইক্যং লম্বাবিলে পায়রা সার্ভিস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২ সিলেট জেলা প্রশাসক মো: সারওয়ার আলম এর বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবীতে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ইলিয়াস কোবরা জাতীয় পর্যায়ে গোল্ডকাপ ফুটবলে কৃতিত্ব, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার পেল মঙ্গলসিকদার খেলাঘরের মাসুম চট্টগ্রাম উত্তরজেলা ছাত্রদলের সদস্য নির্বাচিত হলেন হারুয়ালছড়ির আকিব আসামী আবু তাহেরের ফাঁ,সির আ,দেশ ও পাঁচ লাখ টাকার জরিমানা, গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঝিনাইদহ, নলডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ, কৃষি উপকরণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সহায়ক সামগ্রী বিতরন

বিচার-সাজা ছাড়াই ৩০ বছর কারাভোগ অবশেষে জামিনে মুক্তি

মোঃ সনজব আলী হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার সিংহগ্রামের চিনি মিয়ার ছেলে কনু মিয়া। কারাভোগ করেছেন দীর্ঘ ৩০ বছর ২ মাস ১৯ দিন। অথচ মামলার বিচার হয়নি, না হয়েছে সাজাও। অবশেষে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের উদ্যোগে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল ১১টার দিকে জেলা কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয় তাকে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ২৫ মে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক কনু মিয়া ঘুমন্ত অবস্থায় তার মা মেজেস্টর বিবিকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় গ্রামবাসী তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরদিন কনু মিয়া একটি সংক্ষিপ্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর শুরু হয় তার দীর্ঘ কারাবাস। প্রথমদিকে পরিবারের সদস্যরা তাকে দেখতে কারাগারে গেলেও ধীরে ধীরে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। অনেকেই ভুলেই যান কনু মিয়া কথা।

৩০ বছর পর জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মুহম্মাদ আব্বাছ উদ্দিন বিষয়টি জানার পর কনু মিয়ার আইনগত প্রতিকার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেন। খুঁজে বের করেন মামলার বাদী মনু মিয়াকে এবং তার ভাই নাসু মিয়াকেও লিগ্যাল এইড অফিসে নিয়ে আসেন। সরকারি উদ্যোগে কনু মিয়ার জামিনের বিষয়ে জেনে আবেগে আপ্লুত হন মনু ও নাসু মিয়া। তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

লিগ্যাল এইডের প্যানেলভুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ বলেন, মানসিক রোগে আক্রান্ত আসামির জামিন একটি স্পর্শকাতর বিষয়। বিশেষ করে তিনি হত্যা মামলার একমাত্র আসামি। কনু মিয়ার বিচারিক কার্যক্রম হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে বলে জানা যায়।

তিনি জানান, সবদিক বিবেচনায় নিয়ে সোমবার (১৪ জুলাই) জেলা ও দায়রা জজ আদালতে কনু মিয়ার জামিন আবেদন করেন আইনজীবী। জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম সেই জামিন মঞ্জুর করেন। পরে মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল ১১টার দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা