সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মিরপুর মডেল থানার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের আবেগঘন স্ট্যাটাস। ময়মনসিংহ জেলার ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে নির্বাচিত সেরা পরিচ্ছন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘Dc’s Award for Cleanliness’ পুরস্কার লাভ করেছে। ঝিনাইদহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবলের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধন: উদ্বোধনী ম্যাচেই সদর উপজেলার ৭-১ গোলের বিশাল জয়, বাগেরহাট এ র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ৯ হাজার ৭৩০পিস ইয়াবাসহ এক মাদকব্যবসায়ী আটক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত আমিরের সাক্ষাৎ ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার গাজীপুরে, সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। উখিয়ায় মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা এক সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মা-মেয়ে এক সঙ্গে বিষপানের ঘটনায় মেয়ের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:আঃ মান্নান টিপু ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর)

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় হৃদয় বিদারক এক মর্মান্তিক ঘটনা সংঘটিত । ঘটনার সূত্রপাত, স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর অভিমান করে একসঙ্গে বিষপান করেন মা ও মেয়ে।
অবশেষে জীবন যুদ্ধে হেরে যান মেয়ে জান্নাত আক্তার (১৮), নিঃশ্বাস নিয়ে নামরে বেঁচে আছেন মা পারুল বেগম।

এই ঘটনাটি ঘটেছে ১৫ জুলাই (মঙ্গলবার) সকালে ফরিদগঞ্জ উপজেলাধীন সাহেবগঞ্জ গ্রামে। বিষপানে মৃত জান্নাত ওই গ্রামের জয়নাল আবেদীনের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রমতে জানা যায়, পারুল বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী জয়নাল আবেদীনের পারিবারিক কলহ চলছিল। ঘটনার দিন সকালে স্বামী জয়নাল স্ত্রী ও মেয়েকে বকাঝকা করে দোকানে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর অভিমানে মা ও মেয়ে একসাথে বিষপান করেন।
পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। পরে অচেতন অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জান্নাতকে মৃত ঘোষণা করেন, আর পারুল বেগম বর্তমানে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় মৃত্যু শয্যায় রয়েছেন।

জান্নাতের মৃত্যুর পর তার লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নেওয়ার চেষ্টা করেন পিতা জয়নাল আবেদীন। এ সময় তিনি পুলিশের কাছে ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য দিতে টালবাহানা করেন এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। এতে সন্দেহ হলে ফরিদগঞ্জ থানার এসআই সুজন নন্দী ও এসআই জাকির ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, পারিবারিক কলহ তাদের সংসারে নিত্যদিনের ঘটনা। তারা আরও বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। জান্নাত আক্তারের অকাল মৃত্যু এলাকাবাসীর মনে গভীর দুঃখ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা