শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরপুর প্রেসক্লাবে সাদ্দাম হোসেন জয় ও একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মিরপুর মডেল থানার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের আবেগঘন স্ট্যাটাস। ময়মনসিংহ জেলার ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে নির্বাচিত সেরা পরিচ্ছন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘Dc’s Award for Cleanliness’ পুরস্কার লাভ করেছে। ঝিনাইদহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবলের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধন: উদ্বোধনী ম্যাচেই সদর উপজেলার ৭-১ গোলের বিশাল জয়, বাগেরহাট এ র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ৯ হাজার ৭৩০পিস ইয়াবাসহ এক মাদকব্যবসায়ী আটক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত আমিরের সাক্ষাৎ ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার গাজীপুরে, সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ।

ধামইরহাটে কার্পেটিং প্রকল্পে অনিয়ম–দুর্নীতির; অভিযোগ স্থানীয়দের

মোঃ সহিদুল ইসলাম, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় ৪০০ মিটার সড়কে কার্পেটিং কাজের নামে প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। রাস্তায় একটু ঘষা দিলে উঠে যায় মার্কেটিং। তাদের দাবি, ধামইরহাট পৌরসভার বরাদ্দের এই সরকারি কাজটি যথাযথ টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই সম্পন্ন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমার এবং উপ–সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালামের নেতৃত্বে তাদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার মোঃ শাহিন হোসেনকে গোপনে কাজটি দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টেন্ডার কবে হয়েছে, কীভাবে হয়েছে—এ বিষয়ে কোনো ঠিকাদারই জানেন না। বরং রাতের অন্ধকারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার রহমানের সহযোগিতায় দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমার ও উপসহকারী আব্দুস সালাম পূর্বেও বিভিন্ন অনিয়ম–দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন এবং এ মাধ্যমে নানা সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তাদের ধারণা। তারা আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই কার্পেটিং কাজ শুরু করা হয়, যাতে স্থানীয়রা কাজের সিডিউল দেখতে বা প্রশ্ন তুলতে না পারে।

এছাড়া পৌর এলাকায় রাস্তা সংস্কারের নামে একাধিক স্থানে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগও করেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সজল কুমার পূর্বে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাসীন সময় বিভিন্ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এখনো তাদের মাধ্যমে কাজগুলো করানো হয়, যার ফলে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এ বিষয়ে উপ–সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালাম বলেন, “স্যারের নির্দেশে কাজ করা হয়েছে।” তবে সহকারী প্রকৌশলী সজল কুমারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি রিসিভ করেননি।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা