মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ড. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর হস্তক্ষেপ কামনা শ্রীপুরে মাদকের বিস্তার রোধে জোরালো পদক্ষেপের দাবি সচেতন মহলের রাজনগরে উঠানের ৮ ফুট নিচে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার মহেশপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন। পাংশা উপজেলা প্রেসক্লাবে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মনপুরায় মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট ও সার বোঝাই ট্রলারসহ এক পাচারকারী আটক টুরিস্ট পুলিশ রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. খাইরুল আলমকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা কার্পাসডাঙ্গা নিউ এ্যাপোলো ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার মোবাইল কোর্টে বন্ধের নির্দেশ অমান্য করে প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে কার্যক্রম চলছে:সনোলজিষ্ট না হয়েও আল্ট্রাসনো করার অভিযোগ ক্লিনিক মালিক আক্তারুজামানের বিরুদ্ধে জলঢাকায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সংবাদকর্মীর ওপর মব সৃষ্টি করে অতর্কিত হামলা  ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যান্সার-কিডনিসহ ৬ রোগের চিকিৎসার চেক বিতরণ করলেন এমপি সালাম বগুড়ার রানার সিটি এলাকার সুইপার পট্টিতে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিককে হুমকি, চাঁদা দাবির অভিযোগ

গলাচিপায় রাস্তার অর্ধসমাপ্ত কাজের জটিলতা: ঠিকাদারের উদাসীনতায় জনদুর্ভোগ চরমে

খন্দকার জলিল-স্টাফ রিপোর্টার

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার রতনপুর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সহকারী পুলিশ সুপার (গলাচিপা সার্কেল) অফিসের উত্তর পাশে হাজী বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার বেহাল দশা এখন স্থানীয়দের জন্য এক দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে টেন্ডার হওয়া এই রাস্তার কাজ হাতে নেয় ঠিকাদার রেজভিউল কবির বাটু, যার প্রতিষ্ঠানও একই নামে নিবন্ধিত। প্রায় ৬-৭ মাস পূর্বে কাজ শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শুধু দুই পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করেই কাজ থেমে রয়েছে। রাস্তার মূল কাজ না হওয়ায় প্রতিদিনই এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ শুরু হওয়ার আগে অন্তত স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করা গেলেও এখন পরিস্থিতি আরো করুণ আকার ধারণ করেছে। কাদা, গর্ত ও অর্ধসমাপ্ত কাজের কারণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ঠিকাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার সহযোগী মো. নিজামও প্রথমে ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় জানার পর কল কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার কল করলে সঠিক জবাব না দিয়ে উল্টো ধমক দিয়ে ফোন কেটে দেন এবং এরপর আর ফোন রিসিভ করেননি।

পৌরসভা কার্যালয়ের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. খাইরুল সোহাগ জানান, “আমরা ঠিকাদারকে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছি। তিনি জানিয়েছেন কাজ শুরু করার পর বৃষ্টির কারণে সময় বেশি লাগছে। তবে অল্প কিছু দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে।”

কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, এই আশ্বাস বারবার শোনা গেলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসছে না। তারা অভিযোগ করেন, “কাজ শুরুর আগে চলাফেরায় এতটা কষ্ট হতো না, কিন্তু কাজ শুরু হওয়ার পর আমাদের চলাচলই এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না।”

সরকারি প্রকল্পে ঠিকাদারের এমন অবহেলা ও দায়িত্বহীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত কাজ সম্পন্নের জোর দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা