শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মিরপুর মডেল থানার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের আবেগঘন স্ট্যাটাস। ময়মনসিংহ জেলার ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে নির্বাচিত সেরা পরিচ্ছন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘Dc’s Award for Cleanliness’ পুরস্কার লাভ করেছে। ঝিনাইদহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবলের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধন: উদ্বোধনী ম্যাচেই সদর উপজেলার ৭-১ গোলের বিশাল জয়, বাগেরহাট এ র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ৯ হাজার ৭৩০পিস ইয়াবাসহ এক মাদকব্যবসায়ী আটক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত আমিরের সাক্ষাৎ ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার গাজীপুরে, সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। উখিয়ায় মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা এক সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক

গলাচিপায় রাস্তার অর্ধসমাপ্ত কাজের জটিলতা: ঠিকাদারের উদাসীনতায় জনদুর্ভোগ চরমে

খন্দকার জলিল-স্টাফ রিপোর্টার

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার রতনপুর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সহকারী পুলিশ সুপার (গলাচিপা সার্কেল) অফিসের উত্তর পাশে হাজী বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার বেহাল দশা এখন স্থানীয়দের জন্য এক দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে টেন্ডার হওয়া এই রাস্তার কাজ হাতে নেয় ঠিকাদার রেজভিউল কবির বাটু, যার প্রতিষ্ঠানও একই নামে নিবন্ধিত। প্রায় ৬-৭ মাস পূর্বে কাজ শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শুধু দুই পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করেই কাজ থেমে রয়েছে। রাস্তার মূল কাজ না হওয়ায় প্রতিদিনই এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ শুরু হওয়ার আগে অন্তত স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করা গেলেও এখন পরিস্থিতি আরো করুণ আকার ধারণ করেছে। কাদা, গর্ত ও অর্ধসমাপ্ত কাজের কারণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ঠিকাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার সহযোগী মো. নিজামও প্রথমে ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় জানার পর কল কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার কল করলে সঠিক জবাব না দিয়ে উল্টো ধমক দিয়ে ফোন কেটে দেন এবং এরপর আর ফোন রিসিভ করেননি।

পৌরসভা কার্যালয়ের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. খাইরুল সোহাগ জানান, “আমরা ঠিকাদারকে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছি। তিনি জানিয়েছেন কাজ শুরু করার পর বৃষ্টির কারণে সময় বেশি লাগছে। তবে অল্প কিছু দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে।”

কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, এই আশ্বাস বারবার শোনা গেলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসছে না। তারা অভিযোগ করেন, “কাজ শুরুর আগে চলাফেরায় এতটা কষ্ট হতো না, কিন্তু কাজ শুরু হওয়ার পর আমাদের চলাচলই এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না।”

সরকারি প্রকল্পে ঠিকাদারের এমন অবহেলা ও দায়িত্বহীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত কাজ সম্পন্নের জোর দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা