মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
যশোরে মাদ্রাসা শিক্ষকদের ২১ দিনব্যাপী ‘হাদিস শরিফ’ প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান মাদ্রাসা শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোড়শাল ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী ইসহাক আলী মোল্লার সমর্থনে উঠান বৈঠক ও জনসভা, সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কমলাপুর রেলস্টেশনে ৩০০ অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ # চুয়াডাঙ্গার বাজদিয়া গ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজায় উৎসবমুখর পরিবেশ উখিয়ার হুমায়ুন হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি মরিচ্যায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা শামসুল কবির খানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে গুরুতর অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ঝিনাইদহে আসক-এর ৩১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন, ​মান্দায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শহীদুলের বাড়িতে এমপি টিপু: শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা ও সহায়তার আশ্বাস

গলাচিপায় রাস্তার অর্ধসমাপ্ত কাজের জটিলতা: ঠিকাদারের উদাসীনতায় জনদুর্ভোগ চরমে

খন্দকার জলিল-স্টাফ রিপোর্টার

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার রতনপুর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সহকারী পুলিশ সুপার (গলাচিপা সার্কেল) অফিসের উত্তর পাশে হাজী বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার বেহাল দশা এখন স্থানীয়দের জন্য এক দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে টেন্ডার হওয়া এই রাস্তার কাজ হাতে নেয় ঠিকাদার রেজভিউল কবির বাটু, যার প্রতিষ্ঠানও একই নামে নিবন্ধিত। প্রায় ৬-৭ মাস পূর্বে কাজ শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শুধু দুই পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করেই কাজ থেমে রয়েছে। রাস্তার মূল কাজ না হওয়ায় প্রতিদিনই এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ শুরু হওয়ার আগে অন্তত স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করা গেলেও এখন পরিস্থিতি আরো করুণ আকার ধারণ করেছে। কাদা, গর্ত ও অর্ধসমাপ্ত কাজের কারণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ঠিকাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার সহযোগী মো. নিজামও প্রথমে ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় জানার পর কল কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার কল করলে সঠিক জবাব না দিয়ে উল্টো ধমক দিয়ে ফোন কেটে দেন এবং এরপর আর ফোন রিসিভ করেননি।

পৌরসভা কার্যালয়ের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. খাইরুল সোহাগ জানান, “আমরা ঠিকাদারকে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছি। তিনি জানিয়েছেন কাজ শুরু করার পর বৃষ্টির কারণে সময় বেশি লাগছে। তবে অল্প কিছু দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে।”

কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, এই আশ্বাস বারবার শোনা গেলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসছে না। তারা অভিযোগ করেন, “কাজ শুরুর আগে চলাফেরায় এতটা কষ্ট হতো না, কিন্তু কাজ শুরু হওয়ার পর আমাদের চলাচলই এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না।”

সরকারি প্রকল্পে ঠিকাদারের এমন অবহেলা ও দায়িত্বহীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত কাজ সম্পন্নের জোর দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা