বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি শিহাব উদ্দিনের সুস্থতা কামনায় দোয়া প্রার্থনা লালমোহনে স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন যশোরে মাদ্রাসা শিক্ষকদের ২১ দিনব্যাপী ‘হাদিস শরিফ’ প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান মাদ্রাসা শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোড়শাল ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী ইসহাক আলী মোল্লার সমর্থনে উঠান বৈঠক ও জনসভা, সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কমলাপুর রেলস্টেশনে ৩০০ অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ # চুয়াডাঙ্গার বাজদিয়া গ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজায় উৎসবমুখর পরিবেশ উখিয়ার হুমায়ুন হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি মরিচ্যায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা শামসুল কবির খানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে গুরুতর অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সচ্ছলতার স্বপ্ন অধরাই,দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন শান্তিগঞ্জের শিপন মিয়া

মোঃ রেজাউল করিম সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে সুদূর প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিপন মিয়া। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সেখানেই প্রাণ হারালেন এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বুক ভরা আশা নিয়ে দুবাই পাড়ি দেওয়া শিপনের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

​জানা যায়, গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় আনুমানিক রাত ১১টা থেকে ১২টার দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ​দুবাইয়ে থাকা স্থানীয় প্রবাসীদের সূত্রে এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় তার নিজ বাড়িতে শোকের মাতম শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে স্থানীয় প্রবাসীরা জানান, শিপন মিয়া রাস্তা পার হওয়ার সময় বিপরীত দিক (রং সাইড) থেকে আসা দ্রুতগতির একটি গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আঘাত পান। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে, ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
নিহত শিপন মিয়া শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের হাসারচর গ্রামের বাসিন্দা। ২০২১ সালে তিনি উন্নত জীবনের আশায় দুবাই পাড়ি জমিয়েছিলেন।

​পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে নিজ পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তন করাই ছিল শিপনের প্রধান লক্ষ্য। পরিবারের লোকজন ও স্বজনরাও তার ভাগ্যের পরিবর্তনের সেই স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। স্বজনরা বুক বেঁধেছিলেন, সচ্ছলতা নিয়ে একদিন তিনি দেশে ফিরবেন।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বড় ছেলেটিকে হারিয়ে দিশেহারা তার মা-বাবা। ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে তারা প্রায় বাকরুদ্ধ ও জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থায় আছেন। এক বুক স্বপ্ন নিয়ে দুবাই যাওয়া ছেলের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা