শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরপুর প্রেসক্লাবে সাদ্দাম হোসেন জয় ও একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মিরপুর মডেল থানার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের আবেগঘন স্ট্যাটাস। ময়মনসিংহ জেলার ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে নির্বাচিত সেরা পরিচ্ছন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘Dc’s Award for Cleanliness’ পুরস্কার লাভ করেছে। ঝিনাইদহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবলের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধন: উদ্বোধনী ম্যাচেই সদর উপজেলার ৭-১ গোলের বিশাল জয়, বাগেরহাট এ র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ৯ হাজার ৭৩০পিস ইয়াবাসহ এক মাদকব্যবসায়ী আটক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত আমিরের সাক্ষাৎ ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার গাজীপুরে, সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ।

সচ্ছলতার স্বপ্ন অধরাই,দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন শান্তিগঞ্জের শিপন মিয়া

মোঃ রেজাউল করিম সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে সুদূর প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিপন মিয়া। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সেখানেই প্রাণ হারালেন এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বুক ভরা আশা নিয়ে দুবাই পাড়ি দেওয়া শিপনের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

​জানা যায়, গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় আনুমানিক রাত ১১টা থেকে ১২টার দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ​দুবাইয়ে থাকা স্থানীয় প্রবাসীদের সূত্রে এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় তার নিজ বাড়িতে শোকের মাতম শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে স্থানীয় প্রবাসীরা জানান, শিপন মিয়া রাস্তা পার হওয়ার সময় বিপরীত দিক (রং সাইড) থেকে আসা দ্রুতগতির একটি গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আঘাত পান। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে, ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
নিহত শিপন মিয়া শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের হাসারচর গ্রামের বাসিন্দা। ২০২১ সালে তিনি উন্নত জীবনের আশায় দুবাই পাড়ি জমিয়েছিলেন।

​পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে নিজ পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তন করাই ছিল শিপনের প্রধান লক্ষ্য। পরিবারের লোকজন ও স্বজনরাও তার ভাগ্যের পরিবর্তনের সেই স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। স্বজনরা বুক বেঁধেছিলেন, সচ্ছলতা নিয়ে একদিন তিনি দেশে ফিরবেন।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বড় ছেলেটিকে হারিয়ে দিশেহারা তার মা-বাবা। ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে তারা প্রায় বাকরুদ্ধ ও জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থায় আছেন। এক বুক স্বপ্ন নিয়ে দুবাই যাওয়া ছেলের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা