সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জলঢাকায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সংবাদকর্মীর ওপর মব সৃষ্টি করে অতর্কিত হামলা  ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যান্সার-কিডনিসহ ৬ রোগের চিকিৎসার চেক বিতরণ করলেন এমপি সালাম বগুড়ার রানার সিটি এলাকার সুইপার পট্টিতে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিককে হুমকি, চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পর্ক ফাউন্ডেশনকে রাজশাহী জেলার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সাংবাদিকের ওপর বোমা হামলা-অভয়নগর থানা পুলিশের নীরবতা..পুলিশ কি তবে সন্ত্রাসীদের রক্ষাকবচ? হাটহাজারীতে মোবাইল চুরির অভিযোগে অজ্ঞাতনামা এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বেলকুচিতে সর্বধর্মীয় সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত আটঘরিয়ায় কর্মকর্তাদের সাথে এমপি মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  সালিশ বৈঠক শেষে সন্ত্রাসী হামলা: বিএনপি নেতা আবুল বাশার বাদশা নিহত, আহত ১ চুয়াডাঙ্গা জীবননগর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেফতার

মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগের মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিন আবেদন করার পর আজ সোমবার তা বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের বেঞ্চের কার্যতালিকায় ৭৯২ ক্রমিকে ছিল। আইনজীবী জয়নুল আবেদীন আবেদনটি শুনানির জন্য উত্থাপন করলে হাইকোর্ট বৃহস্পতিবার শুনানির কথা বলেন।

গত ২২ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদের এ মামলায় বিএনপি মহাসচিবের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন।

এ আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি সোমবারের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য রাখা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন।
সরকার পতনের এক দফা দাবিতে ২৮ অক্টোবর সমাবেশ ডেকেছিল বিএনপি। ২০ শর্তে তাদের সমাবেশের অনুমতি দেয় পুলিশ।

ওই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরুর আগেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান দলটির নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের ফটক ভেঙে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। সংঘর্ষের মধ্যে পণ্ড হওয়া সমাবেশ থেকেই পরদিন সারা দেশে হরতালের ডাক দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
২৯ অক্টোবর সেই হরতালের সকালে গুলশানের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

ওইদিন ঢাকার মূখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে জামিন আবেদন মির্জা ফখরুল। কিন্তু আবেদনটি নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। এরপর গত ২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মির্জা ফখরুলের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তাঁর আইনজীবীরা। গত ২২ নভেম্বর ওই আবেদন নামঞ্জুর করলে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা