সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জলঢাকায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সংবাদকর্মীর ওপর মব সৃষ্টি করে অতর্কিত হামলা  ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যান্সার-কিডনিসহ ৬ রোগের চিকিৎসার চেক বিতরণ করলেন এমপি সালাম বগুড়ার রানার সিটি এলাকার সুইপার পট্টিতে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিককে হুমকি, চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পর্ক ফাউন্ডেশনকে রাজশাহী জেলার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সাংবাদিকের ওপর বোমা হামলা-অভয়নগর থানা পুলিশের নীরবতা..পুলিশ কি তবে সন্ত্রাসীদের রক্ষাকবচ? হাটহাজারীতে মোবাইল চুরির অভিযোগে অজ্ঞাতনামা এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বেলকুচিতে সর্বধর্মীয় সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত আটঘরিয়ায় কর্মকর্তাদের সাথে এমপি মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  সালিশ বৈঠক শেষে সন্ত্রাসী হামলা: বিএনপি নেতা আবুল বাশার বাদশা নিহত, আহত ১ চুয়াডাঙ্গা জীবননগর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেফতার

বিচার কোথায়? লেখক:- মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার

বিচার কোথায়?

লেখক:- মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (বি.সি.পি.সি), কেন্দ্রীয় কমিটি

(সাগর-রুনি ও নির্যাতিত সাংবাদিকদের স্মরণে)

সাগর-রুনির রক্ত আজও এই মাটিতে চিৎকার করে,
ভোরের সূর্য জানে—দেয়ালে লেখা অক্ষর জ্বলে।
তবু রাষ্ট্রের চোখে কেন এত অন্ধকার?
কেন নীরবতা শাসায় অন্যায়ের দীর্ঘ সংসার?

১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২—
সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি—
স্বামী-স্ত্রী, দুই সাহসী সাংবাদিক—
খুন হলেন রাতে, পেশাদার ঘাতকের নির্ভুল আঘাতে।
এক যুগ পেরিয়ে গেছে—১৩ বছর!
তদন্ত আজও দাঁড়িয়ে আছে পথের ধারে।

১১৯ বার পিছিয়েছে শুনানির তারিখ—
কোনো নির্দয় ক্যালেন্ডারের পাতায় পাতায়।

আমরা বলি—এটা কি ন্যায়ের দেশ?
যেখানে খুনের বিচার শুধু পিছিয়ে চলে?
যেখানে সাংবাদিক মরলেই রাষ্ট্র নির্বাক হয়,
আর আদালত ব্যস্ত থাকে কেবল
“পুনরায় দিন ধার্য” লিখতে লিখতে?

আমরা কি এসেছি কেবল কফিনে নাম লেখাতে?
না কি এসেছি সত্য বলতে গিয়ে প্রতিদিন মরতে?
আমরা সাংবাদিক—কলম আমাদের অস্ত্র।
তবু কেন নোংরা চক্রান্তে,
আমাদের কণ্ঠ চেপে ধরে শাসনের মুষ্টি?

প্রশ্ন জাগে— এই রাষ্ট্র কি রুনিদের অশ্রু ভুলে গেছে?
এই মাটির বিবেক কি মৃত বিবেচনায় পাথর হয়ে গেছে?

না! আমরা চুপ থাকব না।

আমরা চাই—একদিন সেই আদালত কাঁপুক,
যেদিন রাজার মুকুট খসে পড়বে, যেদিন হবে বিচার—প্রকাশ্যে, নির্ভীক উচ্চারণে।

আজও জ্বলছে আগুন—
সাগর-রুনির,জামালপুরে নাদিম,গাইবান্ধার ফরিদুল ইসলাম রঞ্জু,বগুড়ার শেরপুরের দীপঙ্কর চক্রবর্তী—
সব নির্যাতিত, নিপীড়িত কণ্ঠের আগুন।

এই আগুন নিভবে না, যতক্ষণ না—সত্য পাবে আলো, অন্যায় পাবে জবাব।

তাই বলি—আমরা সাংবাদিক মরতে আসিনি,
আমরা এসেছি লিখতে—রক্ত দিয়ে ইতিহাস।
আমরা এসেছি প্রতিবাদের আগুনে—জ্বালাতে অন্যায়, কর্পুরের মতো নিশ্বাস!


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা