সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৬৪ জেলার সাংবাদিকদের মিলন মেলায়, দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জমকালো আয়োজনে দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ৬৪ জেলার সাংবাদিকদের মিলনমেলা, সাংবাদিক সুরক্ষা আইনসহ গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পল্লবী থানার ওসি মো. হাসান বাসিরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জাতীয় দৈনিক মাতৃজগতের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কাফরুল থানার ওসি মোঃ সাইফুল ইসলামের শুভেচ্ছা সিএনজিতে ইয়াবা বহন, ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার। ভোলার লালমোহনের কৃতী সন্তান রূপনগর থানার ওসি মোহাম্মদ নোমান হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ রূপনগর থানায় ওসি মোহাম্মদ নোমান হোসেনের মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা মাদক-সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে কঠোরতা, সাধারণ মানুষের পাশে থেকে আস্থা অর্জনের চেষ্টা গলাচিপায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটার মোঃ ইয়াসিন আরাফাত শান্তর ক্রিকেট ক্যারিয়ার অব্যাহত রাখা এবং পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতায় সহায়তা করার লক্ষ্যে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন, ময়মনসিংহ। ক্রীড়াই শক্তি- ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল” খেলাধুলায় গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

গলাচিপায় আদালত ভবন থাকলেও দেওয়ানী মামলা চলছে পটুয়াখালীতে

খন্দকার জলিল-স্টাফ রিপোর্টার

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় আদালত ভবন, দেওয়ানী আদালতের এজলাস কক্ষ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে দেওয়ানী মামলার কার্যক্রম চলছে জেলা সদরে। এতে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সরকার উপজেলা ঘোষনা করার পরে
১৯৮৩ সালে গলাচিপা উপজেলায় দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পর ১৯৯৩ সালে দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম জেলা সদরে সরিয়ে নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে পুনরায় ২০০০ সালে গলাচিপায় শুধু ফৌজদারি আদালত পুনঃস্থাপন করা হলেও দেওয়ানী আদালতের কার্যক্রম আর ফেরানো হয়নি। ফলে গলাচিপা আদালত ভবনের দেওয়ানী আদালত ও এজলাস কক্ষ দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে খালি পড়ে আছে।

গলাচিপা এবং রাংগাবালী উপজেলার দেওয়ানী মামলাগুলো দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালীতে নিষ্পত্তি হয়ে আসছিল। তবে কয়েক মাস আগে রাংগাবালী উপজেলার দেওয়ানী মামলাগুলো স্থানীয়ভাবে স্থানান্তরিত করা হলেও সেখানে এখনও স্থায়ী আদালত ভবন নেই। অস্থায়ী ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবস্থায় সেসব কার্যক্রম চালু থাকলেও গলাচিপায় পর্যাপ্ত অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও এখানকার দেওয়ানী মামলা এখনো জেলা সদরে পরিচালিত হচ্ছে।

ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের দাবি, গলাচিপার দেওয়ানী মামলা যেন দ্রুত এখানকার উপজেলা আদালতে স্থানান্তর করা হয়। চিকনিকান্দি ইউনিয়নের গৃহবধূ মিনারা বেগম জানান, তার একাধিক দেওয়ানী মামলা বর্তমানে পটুয়াখালীতে চলছে। প্রতিবার মামলা পরিচালনার জন্য তাকে জেলা শহরে যেতে হয়। এতে যেমন অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়, তেমনি সময় নষ্ট হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে রাত্রীযাপনও করতে হয়। তার মতে, গলাচিপার শত শত মানুষ একই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

গলাচিপা ফৌজদারি আদালতে কর্মরত সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল খালেক মিয়া, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. রাইসুল ইসলাম জাহিদ, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. মনির গাজী, এ পি পি গাজী মো. আল-আমিন এবং গলাচিপা উপজেলা আইনজীবী প্রতিনিধি মো. মোকলেছুর রহমানসহ একাধিক আইনজীবী জানান, রাংগাবালীতে পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকলেও সেখানে দেওয়ানী মামলা চলছে। অথচ গলাচিপায় যথেষ্ট অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এখানকার মানুষকে পটুয়াখালী যেতে হচ্ছে। তারা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে গলাচিপায় দেওয়ানী আদালত কার্যক্রম চালুর জোর দাবি জানান।

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা ফৌজদারি আদালতের জিআরও মো. আবু সালেহ এবং বেঞ্চ সহকারী মো. ফেরদাউস বলেন, গলাচিপা দেওয়ানী আদালত চালুর মতো পর্যাপ্ত অবকাঠামো, কক্ষ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। যেকোনো সময় এখানকার দেওয়ানী আদালত কার্যক্রম চালু করা সম্ভব।

গলাচিপার সাধারণ মানুষ মনে করেন, দেওয়ানী মামলাগুলো জেলা সদরে চালানোর ফলে মামলার নিষ্পত্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এতে শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, ভোগান্তি ও হয়রানিও বাড়ছে। তাই তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে গলাচিপায় দেওয়ানী আদালত চালুর জোরালো দাবি তুলেছেন


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা