রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জলঢাকায় কালভার্টের বেহাল অবস্থা যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তিতে। উখিয়া টেকনাফে বিজিবি’র দুই অভিযানে কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক শৈলকুপায় আলোচিত মোহন হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে গলাচিপায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরন, প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী নুর মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তিস্তায় গোসলে নেমে দুই ভাইয়ের মৃত্যু সিংড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল ও সম্পাদক হারুন সিংড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল ও সম্পাদক হারুন ডিজিটাল ক্লিকে ভাতা পেলেন ১৪ হাজার ৩৭০ নারী, পবায় ৬৬৯ পরিবার পেল ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তালা উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

খুলনা বিভাগে কোরবানির পশুর হাট ১৭০টি, চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় এবার ১৭০টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট বসছে। খামারিদের কাছে পর্যাপ্ত পশু থাকায় এবার স্থানীয় উৎপাদন দিয়েই কোরবানির চাহিদা মিটে যাবে বলে আশা করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

এবার চাহিদার তুলনায় খুলনা বিভাগে প্রায় ৩৮ শতাংশ অতিরিক্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে।
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ২৭টি হাট বসবে, যার মধ্যে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) পরিচালিত জোড়াগেট হাটটি প্রধান। অন্যান্য জেলার মধ্যে বাগেরহাটে ২৯টি, ঝিনাইদহে ২২টি, যশোরে ২০টি, কুষ্টিয়ায় ১৭টি, সাতক্ষীরায় ১৬টি, মাগুরায় ১৫টি, নড়াইলে ১০টি, চুয়াডাঙ্গায় ৮টি এবং মেহেরপুরে ৬টি হাট বসানোর প্রস্তুতি চলছে। হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪২টি ভ্রাম্যমাণ পশুচিকিৎসা দল (ভেটেরিনারি টিম) সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। চাহিদার চেয়ে জোগান ৩ লাখ বেশিবিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. গোলাম হায়দার জানান, এ বছর বিভাগে কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার। এর বিপরীতে খামারিরা প্রস্তুত করেছেন ১৪ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি পশু। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় জোগান ৩৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেশি।
প্রস্তুতকৃত পশুর পরিসংখ্যান হলোÑ গরু৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬১, ছাগল৮ লাখ ৫১ হাজার ৩৭০, ভেড়া ৫১ হাজার ১৭৩, মহিষ ও অন্যান্য ৪ হাজার ৩০৫। জমে উঠছে জোড়াগেট হাট। ঈদের এখনো দুই সপ্তাহ বাকি থাকলেও শুক্রবার সকালে নগরের জোড়াগেট হাটে গিয়ে দেখা যায় প্রস্তুতির ব্যস্ততা। বাঁশ ও খুঁটি দিয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। ২০০৯ সাল থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই হাট পরিচালনা করছে কেসিসি। শহরের মানুষের জায়গার অভাব থাকায় সাধারণত ঈদের দু-তিন দিন আগে কেনাবেচা এখানে তুঙ্গে ওঠে। হাটের পাশেই গড়ে উঠেছে পশুর খাদ্যের মৌসুমি দোকান।
বিভাগীয় পরিচালক মো. গোলাম হায়দার বলেন, ”বিভাগে এবার পশুর কোনো সংকট হবে না। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে থাকবে বলে আশা করছি। গত বছর ১১ লাখের বেশি পশু বিক্রি হয়েছিল, এবার সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।” গত বছর বিভাগে ১৬৯টি হাটে কেনাবেচা চলেছিল। এবার একটি হাট বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং চিকিৎসা দলের সংখ্যা সমন্বয় করায় খামারি ও ক্রেতাÑ উভয়ই সুফল পাবেন বলে মনে করছে বিভাগীয় প্রশাসন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা