নিজেস্ব প্রতিনিধি:
পাবনার দাপুনিয়া ইউনিয়নে যুবদল নেতা ও সাবেক ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন আলম (মামুন খান)-এর ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার (২৯ জুন ২০২৬) বিকেলে আটমাইল থেকে সাতমাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে সাতমাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দলীয় কার্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
দাপুনিয়া ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও স্থানীয় এলাকাবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ২৬ জুন সাতমাইল বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে মামুন আলমকে কুপিয়ে ও মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। তারা অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় মো. রকিব শেখ, মোসলেম উদ্দিন মুছা, লিটন ও হৃদয় হোসেনসহ জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বক্তারা বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
পাশাপাশি এলাকায় সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন তারা।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, দাপুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মন্টু খাঁ, লাল মাস্টার, চাঁদ মাস্টার, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হৃদয়, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ রানা এবং ইউনিয়ন যুবদল নেতা টনেডো বিশ্বাস।
দাপুনিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান ইমন সমাবেশ পরিচালনা করেন। সভাপতিত্ব করেন দাপুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চাঁদ আলী মাস্টার।
এদিকে, এ ঘটনায় আহত মামুন আলমের ভাই মো. নাসিম হোসাইন বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে ২৬ জুন সন্ধ্যায় সাতমাইল বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ একদল ব্যক্তি হামলা চালায়।
হামলায় মামুন আলমসহ আরও কয়েকজন আহত হন এবং দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।