শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মহেশপুরে এডিপির অর্থায়নে অসহায় মানুষের মাঝে সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। পাবনার আতাউল্লাপুরে নদীর খননকৃত মাটি কাটার দায়ে ভেকু মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান নিউ ফিউচার লাইফের মতবিনিময় সভায় চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া কাবিননামা ফেসবুকে পর্নোগ্রাফি ছড়ানো অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শৈলকুপায় মাদকবিরোধী সম্প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট এর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত: ৫ মাসে গ্রেফতার ৩৫০ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে মহেশপুরে জামায়াত এর যুব বিভাগের মানববন্ধন। গোমস্তাপুরে রোকনপুর পূর্ণভবা ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত। বিএনপি সরকার ব্যার্থ হওয়ার জন্য আসেনি – সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী,

বিচার কোথায়? লেখক:- মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার

বিচার কোথায়?

লেখক:- মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (বি.সি.পি.সি), কেন্দ্রীয় কমিটি

(সাগর-রুনি ও নির্যাতিত সাংবাদিকদের স্মরণে)

সাগর-রুনির রক্ত আজও এই মাটিতে চিৎকার করে,
ভোরের সূর্য জানে—দেয়ালে লেখা অক্ষর জ্বলে।
তবু রাষ্ট্রের চোখে কেন এত অন্ধকার?
কেন নীরবতা শাসায় অন্যায়ের দীর্ঘ সংসার?

১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২—
সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি—
স্বামী-স্ত্রী, দুই সাহসী সাংবাদিক—
খুন হলেন রাতে, পেশাদার ঘাতকের নির্ভুল আঘাতে।
এক যুগ পেরিয়ে গেছে—১৩ বছর!
তদন্ত আজও দাঁড়িয়ে আছে পথের ধারে।

১১৯ বার পিছিয়েছে শুনানির তারিখ—
কোনো নির্দয় ক্যালেন্ডারের পাতায় পাতায়।

আমরা বলি—এটা কি ন্যায়ের দেশ?
যেখানে খুনের বিচার শুধু পিছিয়ে চলে?
যেখানে সাংবাদিক মরলেই রাষ্ট্র নির্বাক হয়,
আর আদালত ব্যস্ত থাকে কেবল
“পুনরায় দিন ধার্য” লিখতে লিখতে?

আমরা কি এসেছি কেবল কফিনে নাম লেখাতে?
না কি এসেছি সত্য বলতে গিয়ে প্রতিদিন মরতে?
আমরা সাংবাদিক—কলম আমাদের অস্ত্র।
তবু কেন নোংরা চক্রান্তে,
আমাদের কণ্ঠ চেপে ধরে শাসনের মুষ্টি?

প্রশ্ন জাগে— এই রাষ্ট্র কি রুনিদের অশ্রু ভুলে গেছে?
এই মাটির বিবেক কি মৃত বিবেচনায় পাথর হয়ে গেছে?

না! আমরা চুপ থাকব না।

আমরা চাই—একদিন সেই আদালত কাঁপুক,
যেদিন রাজার মুকুট খসে পড়বে, যেদিন হবে বিচার—প্রকাশ্যে, নির্ভীক উচ্চারণে।

আজও জ্বলছে আগুন—
সাগর-রুনির,জামালপুরে নাদিম,গাইবান্ধার ফরিদুল ইসলাম রঞ্জু,বগুড়ার শেরপুরের দীপঙ্কর চক্রবর্তী—
সব নির্যাতিত, নিপীড়িত কণ্ঠের আগুন।

এই আগুন নিভবে না, যতক্ষণ না—সত্য পাবে আলো, অন্যায় পাবে জবাব।

তাই বলি—আমরা সাংবাদিক মরতে আসিনি,
আমরা এসেছি লিখতে—রক্ত দিয়ে ইতিহাস।
আমরা এসেছি প্রতিবাদের আগুনে—জ্বালাতে অন্যায়, কর্পুরের মতো নিশ্বাস!


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা