শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ। প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের ফেসবুক আইডি হ্যাক, উস্কানি মূলক পোস্টে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন, চুয়াডাঙ্গায় আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মৃত্যু ঘিরে রহস্য শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ। লালমোহনে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ মারজিয়ার ওপর নির্যাতনের অভিযোগ কক্সবাজারে অস্ত্র-ইয়াবাসহ দুইজন আটক চারবার ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের ডিসি ছানোয়ার হোসেন ঝিনাইদহ ১১ কোটি টাকার আধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন, নাটোরে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ভেকু জব্দ

চুয়াডাঙ্গায় আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মৃত্যু ঘিরে রহস্য

মোঃ আসাদুজ্জামান ‌আছাদ,স্টাফ রিপোর্টার:

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আইসিটি অফিসার (সহকারী প্রোগ্রামার) ও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মাহমুদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে জীবননগর পৌরশহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ঝিটকেপোতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে।
জানা গেছে,স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে জীবননগর পৌর শহরের আশতলা পাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন জীবননগর উপজেলার আইসিটি অফিসার (সহকারী প্রোগ্রামার) মাহমুদুর রহমান। সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাসার বাইরে চলে যান।পরে মাহমুদুর রহমান নিজ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের একাধিক অফিসারের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাহমুদুর রহমান উপজেলার সবচেয়ে ভালো এবং হাস্যোজ্জ্বল অফিসার ছিলেন। তবে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে প্রায়ই তার স্ত্রী নাসরিন আক্তার ইতি ও তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর ঝামেলা করত। সম্প্রতি মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছিলেন নাসরিন আক্তারের পরিবার। তবে মীমাংসা হওয়ায় আবার একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন তারা।নিহতের স্ত্রী নাসরিন আক্তার ইতি জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছোটখাটো ঝগড়া হলেও তা পরে মিটে যেত। ঘটনার আগের রাতে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ হয়নি। সকালে মাহমুদুর রহমান ঘুম থেকে উঠে ছেলের জন্য জুস কিনতে বাইরে যান। পরে বাসায় ফিরে একটি কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় তিনি ডাকাডাকি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
নিহতের পিতা আতাউর রহমান জানান, তার ছেলে ও পুত্রবধূর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া ও মনোমালিন্য হত। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহমুদুর রহমান তার মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং খোঁজখবর নেন। এরপর হঠাৎ করেই ফোন কেটে দেন। কিছুক্ষণ পর আমরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারি।জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, মাহমুদুর রহমান উপজেলা পরিষদের একজন শান্ত, ভদ্র ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ বলেন,খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। দুপুর ১টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা