বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মহেশখালীতে ৭ মাসে কোরআনে হাফেজ হলেন তিন শিক্ষার্থী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য এম-ট্যাব বগুড়া আঞ্চলিক কমিটির বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঢাকা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত। বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) কক্সবাজার জেলা কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন। সিলেটে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’র ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শক্তিশালী নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)। মনপুরায় আধুনিক ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর শহীদ ওসমান হাদী ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স নামকরণ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মির্জাপুরে অবৈধ কয়লার চুল্লী ব্যবসা: ঝুকিপূর্ণ স্থানীয় এলাকাবাসী পরিত্যক্ত সিটি করপোরেশন মার্কেট থেকে থেকে অস্ত্র-গুলির বিশাল ভাণ্ডার উদ্ধার ঝিনাইদহের পায়রা চত্বর ও ওয়াজের আলী হাই স্কুল মাঠে শরিফ ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে শহীদ ওসমান হাদীর জন্য দোয়া ও কফিন মিছিল ঝিনাইদহে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও মারধর ঝিনাইদহে ভারতীয় গুপ্তচর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী সজীব হোসেন আটক, জনতার মারধর ও পুলিশের কাছে সোপর্দ টেকনাফে বাড়ি থেকে ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার,নারী গ্রেপ্তার ওসমান হাদীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরায় শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও দোয়া মাহফিল সাতক্ষীরায় দুদক উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ এঁর বিদায় সংবর্ধনা ঝিনাইদহের প্রাণকেন্দ্রে BOND শোরুমে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরায় গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত অবৈধ সার ও ভেজাল কীটনাশকের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান

গলাচিপায় মাদকের আগ্রাসন: কিশোররা হারিয়ে যাচ্ছে অন্ধকারে

খন্দকার জলিল-স্টাফ রিপোর্টার

 

পটুয়াখালীর গলাচিপা আজ মাদকের ভয়াল ছোবলে নাজেহাল। দিন দিন এ অঞ্চলে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে মাদক ব্যবসা ও সেবন। বিশেষ করে পৌরসভার বিভিন্ন পরিত্যক্ত ভবন সন্ধ্যা নামলেই রূপ নিচ্ছে ইয়াবা, গাঁজা ও নানা প্রকার নেশাজাত দ্রব্যের আস্তানায়। প্রশাসনের চোখের সামনে প্রকাশ্যে এই বেচাকেনা চললেও কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাদকের বিস্তার।

 

স্থানীয়রা জানায়, এক পিচ ইয়াবার দাম দিতে হয় ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। নেশার কবলে একবার কেউ পড়ে গেলে আর বের হতে পারে না। তখন নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বেছে নেয় অপরাধের পথ—বাটপারি, ধান্ধাবাজি, চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি। ফলে ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে অগণিত তরুণ, যা সমাজে এক মহা সংকটের জন্ম দিচ্ছে।

 

অভিভাবকরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন—কখন তাদের সন্তানও এই ভয়াবহ ছোবলে জড়িয়ে পড়ে। মাদকের ছোবল এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে যে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান—গলাচিপায় মাদক সরবরাহে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে কিছু প্রভাবশালী মহিলা। শহরের যে সব স্থানে মাদকের আড্ডা রয়েছে, সেসব এলাকার সচেতন মানুষ জানলেও মুখ খুলতে ভয় পান। কারণ, প্রতিবাদ করলেই তারা নানাভাবে হুমকি দেন। কথায় আছে—“চোরের মায়ের বড় গলা।” বাস্তবে সেটাই প্রমাণিত হচ্ছে গলাচিপায়।

 

তবে শুধু পৌরসভা নয়, শহরের আশপাশের ইউনিয়নেও ছড়িয়ে পড়েছে মাদকের ভয়াবহতা। সন্ধ্যা নামলেই স্কুল-মাদ্রাসার ভবন, হাটবাজার ও নির্জন স্থানে জমে ওঠে মাদকের আসর। স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিশোররা পড়ালেখা ফাঁকি দিয়ে গোপনে গাঁজা ও ইয়াবার নেশায় মেতে ওঠে। মোবাইল ফোনে আড্ডা আর সুযোগ পেলে টেনে নেয় ভয়ংকর নেশার অন্ধকার জগতে।

 

একাধিকবার স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও প্রশাসন কার্যত কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। আশ্বাসের বাণী শোনা গেলেও বাস্তবে মাদক ব্যবসায়ী ও আস্তানাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান খুবই সীমিত। যার কারণে আরও দুর্ধর্ষ হয়ে উঠছে মাদক ব্যবসায়ীরা।

 

গলাচিপার ভদ্র সমাজ আজ প্রশ্ন তুলছে—কবে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? কবে নামবে কঠোর অভিযানে? সময় থাকতে মাদক নিয়ন্ত্রণ না করলে অচিরেই এই জনপদ পরিণত হবে ভয়াবহ অরাজকতায়। যুব সমাজ ধ্বংস হলে অচিরেই সমাজব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, হারিয়ে যাবে একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা