বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরপুর প্রেসক্লাবে সাদ্দাম হোসেন জয় ও একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মিরপুর মডেল থানার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের আবেগঘন স্ট্যাটাস। ময়মনসিংহ জেলার ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে নির্বাচিত সেরা পরিচ্ছন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘Dc’s Award for Cleanliness’ পুরস্কার লাভ করেছে। ঝিনাইদহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবলের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধন: উদ্বোধনী ম্যাচেই সদর উপজেলার ৭-১ গোলের বিশাল জয়, বাগেরহাট এ র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ৯ হাজার ৭৩০পিস ইয়াবাসহ এক মাদকব্যবসায়ী আটক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত আমিরের সাক্ষাৎ ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাত বিক্রি করে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার গাজীপুরে, সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ।

আটঘরিয়ায় গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু

পাবনা জেলা প্রতিনিধি:

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় গবাদি পশুকে ক্ষুরা রোগ (ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ-এফএমডি) থেকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যাপক ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই, ২০২৬) সকালে আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। এ সময় প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত থেকে খামারিদের সচেতন করেন এবং ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমে অংশ নেন।
আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হোসাইন বলেন, ক্ষুরা রোগ গবাদি পশুর একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো ভ্যাকসিন প্রদান করলে এ রোগের সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিও কমে। তাই নির্ধারিত সময়ে সব খামারিকে তাদের গবাদি পশুকে নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম মিশর বলেন, ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। সরকারি এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার অধিক সংখ্যক গবাদি পশুকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, খামারিরা নির্ধারিত সময়ে পশুকে টিকা প্রদান করলে রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, পশুর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।
এ সময় খামারিদের খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, অসুস্থ পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখা, নতুন পশু খামারে আনার আগে পর্যবেক্ষণে রাখা এবং রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
খামারিরা জানান, সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হলে গবাদি পশুর রোগবালাই কমবে, উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা