বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি শিহাব উদ্দিনের সুস্থতা কামনায় দোয়া প্রার্থনা লালমোহনে স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন যশোরে মাদ্রাসা শিক্ষকদের ২১ দিনব্যাপী ‘হাদিস শরিফ’ প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান মাদ্রাসা শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোড়শাল ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী ইসহাক আলী মোল্লার সমর্থনে উঠান বৈঠক ও জনসভা, সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কমলাপুর রেলস্টেশনে ৩০০ অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ # চুয়াডাঙ্গার বাজদিয়া গ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজায় উৎসবমুখর পরিবেশ উখিয়ার হুমায়ুন হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি মরিচ্যায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা শামসুল কবির খানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে গুরুতর অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

শ্যামনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

শেখ ইলিয়াস হোসেন : সাতক্ষীরা শ্যামনগরের রমজাননগর ইউনিয়নের ২৩ নং মানিকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা খাদিজা খাতুনের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ২৩ জন ছাত্র-অভিভাবক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনলাইনের মাধ্যমে সরকারি অভিযোগ প্রতিকার সেবার মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

অভিযোগে অভিভাবকরা উল্লেখ করেছেন, ২০০৭ সাল থেকে একটানা ১৮ বছর একই বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকার কারণে খাদিজা খাতুন স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছেন। অভিযোগে বলা হয়, তিনি সহকারী শিক্ষক, কেরানী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। হিন্দু ধর্মাবলম্বী সহকর্মীদের ধর্মীয় পরিচয় টেনে অপমান করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পা ভেঙে গেলে তার অভিভাবক বিষয়টি জানালে প্রধান শিক্ষিকা ওই শিক্ষার্থীকে টিসি নিয়ে অন্য স্কুলে ভর্তির পরামর্শ দেন। এছাড়া সহকারী শিক্ষিকা হাত ধোয়ার সময় রাগের বশে পানির ট্যাপ ভেঙে ফেলার ঘটনাও ঘটান তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের ১০ থেকে ১২টি বেঞ্চ বিক্রি করে আত্মসাৎ করেছেন খাদিজা খাতুন। ক্লাস নেওয়ার সময় তিনি ব্ল্যাকবোর্ডে লিখে শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে পড়ান না। সহকারী শিক্ষিকারা যখন অবসর পান, তখনও তিনি শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত যত্নশীলভাবে পড়াতে দেন না। তার বক্তব্য অনুযায়ী— “ছাত্রছাত্রী ভালো পড়লেও আমরা বেতন পাব, না পড়ালেও পাব; সুতরাং বাড়তি কেয়ার নেয়ার দরকার নেই।

অভিভাবকরা মনে করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা খাদিজা খাতুনের মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন এসব মিথ্যা আপনি স্কুলে আসেন, বসে কথা বলবো। ঘটনার বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা