শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের ৩৩ জেলা ঘুরে ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরছেন চুয়াডাঙ্গার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরিফ হাসান সিলেটে ৪০ বোতল ফেয়ারডিলসহ এক যুবক গ্রেফতার মিরপুরের দিয়াবাড়িতে ফল ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা কোথায়? মারধর, সংবাদ সম্মেলনে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ ঝিনাইদহে ১১ দলীয় জোটের লং মার্চ ঘিরে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন লাকসামে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আটক গাড়ি টেকনাফের চার পুলিশ স্থাপনা আকস্মিক পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়, দিলেন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা রামুতে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার উপজেলা পরিষদের ভিটি বরাদ্দ বাতিলের দাবীতে মনপুরায় দোকানপাট বন্ধ রেখে সদরের সহস্রাধিক ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ ভালুকায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

মহিপুরে জেলেদের ৩৬টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ ,,

কলাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি,,মোঃ রহিম শিকদার পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। সরকারের নির্ধারিত ৮০ কেজি চালের বিপরীতে জেলেদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৪৮ থেকে ৫৮ কেজি।অর্থাৎ, প্রতি কার্ডধারী জেলের প্রাপ্য অংশ থেকে ২০ থেকে ৩২ কেজি পর্যন্ত চাল হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণের সময় দরিদ্র জেলেদের মূল কার্ড আটকে রেখে ছোট স্লিপ ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং কম চাল নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি ৩০ ও ৫০ কেজির বস্তা থেকেও ২-৩ কেজি করে চাল সরিয়ে রাখা হচ্ছে এবং পরিবহন খরচের নামে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে অবৈধভাবে আদায় করা হচ্ছে। জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চার মাস নিবন্ধিত জেলেদের প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। প্রথম দুই মাসের (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) মোট ৮০ কেজি চাল বর্তমানে বিতরণ করা হচ্ছে। ধুলাসার ইউনিয়নের ১,৪৫০ জন জেলের জন্য বরাদ্দকৃত চাল থেকে গড়ে ২৫ কেজি করে কম দিলেও, মোট প্রায় ৩৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। চাল নিতে আসা কাউয়ারচর গ্রামের জুয়েল হাওলাদারসহ একাধিক জেলে আক্ষেপ করে জানান, বস্তায় চাল কম দেওয়ার প্রতিবাদ করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না। ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সরকারি সহায়তার চাল নিয়ে এমন হরিলুটের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সাধারণ জেলেরা দ্রুত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সরকারি সহায়তার চাল নিয়ে এমন হরিলুটের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সাধারণ জেলেরা দ্রুত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা