মনির হোসেন ধামরাই প্রতিনিধি।
গেমিংয়ের নেশায় খুনি প্রতিবেশী ধামরাইয়ে শিক্ষার্থী হত্যার রোমহর্ষক নেপথ্য।ভার্চুয়াল গেমের নেশায় শেষ হলো একটি তাজা প্রাণ।
ঢাকার ধামরাইয়ে লাকুরিয়া পাড়ার এসএসসি পরীক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে অনলাইন গেমিং আসক্তি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক স্বপন শামীম স্বীকার করেছেন, গেমিংয়ের টাকা জোগাড় করতেই তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।ধামরাইয়ের লাকুরিয়া পাড়ার সেই ঘাতক প্রতিবেশী স্বপন শামীম এখন শ্রীঘরে। ঘটনার দিন রাতেই তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটকের পর বেরিয়ে এসেছে হত্যাকাণ্ডের গা শিউরে ওঠা নেপথ্য কাহিনী। ৩৫ বছর বয়সী শামীম দীর্ঘ দিন ধরে মোবাইল গেমিংয়ে মারাত্মকভাবে আসক্ত ছিলেন।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদাজানায়, গেমিং অ্যাপের পেছনে ব্যয় করার মতো পর্যাপ্ত টাকা তার কাছে ছিল না। সেই টাকার সংস্থান করতেই পাশের রুমের শিক্ষার্থীর ওপর চড়াও হন তিনি।জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছে যে সে প্রচণ্ডভাবে মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত। গেম খেলার জন্য প্রচুর টাকার প্রয়োজন হতো। মূলত টাকার জোগাড় করতেই সে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। আমরা তাকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করব।প্রতিবেশী হওয়ার সুযোগে সহজেই ওই শিক্ষার্থীর কক্ষে প্রবেশ করেন শামীম। সামান্য কিছু টাকার নেশায় একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন কেড়ে নিতেও দ্বিধা করেননি তিনি।
এই ঘটনায় পুরো ধামরাই এলাকায় শোকের পাশাপাশি অনলাইন গেমের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র আতঙ্ক।
একজন পরীক্ষার্থীর স্বপ্ন এভাবে ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন এলাকাবাসী। তারা এখন কেবল ঘাতক শামীমের সর্বোচ্চ শাস্তির অপেক্ষায়