নেত্রকোনা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বসতঘর থেকে এক দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২০ জুলাই) সকালে দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগাড়া ইউনিয়নের কুড়ালিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ির বসতঘর থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত দম্পতিরা হলেন—দুর্গাপুর ইউনিয়নের চকলেংগুরা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে রাজমিস্ত্রি সোহাগ মিয়া (২৫) এবং তাঁর স্ত্রী কুড়ালিয়া গ্রামের রহিম উদ্দিনের মেয়ে ঝুমা আক্তার (২২)। তিন বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি দুই বছর বয়সী একজন কন্যাসন্তান রয়েছে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ১০টার দিকে রাতের খাওয়া শেষে ঘুমাতে যান সোহাগ ও তার স্ত্রী ঝুমা। রোববার ভোরে দরজা না খোলায় পরিবারের লোকজন ডাকাডাকি করতে থাকেন। জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তাঁরা দেখেন, ঘরের ভেতরে দড়িতে ঝুলছে সোহাগ ও ঝুমার মৃতদেহ। সঙ্গে সঙ্গে তারা চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় ।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এই দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।দুর্গাপুরে স্বামী স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মুহাম্মদ আজিজুর রহমান খান
নেত্রকোনা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বসতঘর থেকে এক দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২০ জুলাই) সকালে দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগাড়া ইউনিয়নের কুড়ালিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ির বসতঘর থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত দম্পতিরা হলেন—দুর্গাপুর ইউনিয়নের চকলেংগুরা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে রাজমিস্ত্রি সোহাগ মিয়া (২৫) এবং তাঁর স্ত্রী কুড়ালিয়া গ্রামের রহিম উদ্দিনের মেয়ে ঝুমা আক্তার (২২)। তিন বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি দুই বছর বয়সী একজন কন্যাসন্তান রয়েছে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ১০টার দিকে রাতের খাওয়া শেষে ঘুমাতে যান সোহাগ ও তার স্ত্রী ঝুমা। রোববার ভোরে দরজা না খোলায় পরিবারের লোকজন ডাকাডাকি করতে থাকেন। জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তাঁরা দেখেন, ঘরের ভেতরে দড়িতে ঝুলছে সোহাগ ও ঝুমার মৃতদেহ। সঙ্গে সঙ্গে তারা চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় ।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এই দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।