মোঃআশরাফুল ইসলাম রাজু
জেলা ব্যুরো প্রধান,নীলফামারীঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বড়ভিটা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে বাদশা আলমগীর দায়িত্ব নেয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ফিরে এসেছে আস্থা ও উদ্দীপনা।উপজেলার অন্যতম প্রাচীনও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শিক্ষক নেতা ও শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষাবিদ বাদশা আলমগীর।
আজ ২১ জুলাই ২০২৫ খ্রিঃ, সোমবার সকালে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বাদশা আলমগীর একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে নিজের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও শিক্ষাগুরুর সম্মান বজায় রেখে এগিয়ে চলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অভিভাবকগণ শিক্ষক সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষক-অভিভাবক মেলবন্ধনের উপর জোর দেন।
শিক্ষার্থী তামান্নার মা বলেন, “আমার মেয়ে এখন নিয়মিত স্কুলে যেতে আগ্রহী। স্যার যেভাবে উদ্বুদ্ধ করছেন, তাতে ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা আশাবাদী।”
অপর একজন অভিভাবক পল্লি চিকিৎসক যোগেশ চন্দ্র বলেন, “বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয় শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি একজন দিকনির্দেশকও। আমরা তার উপর আস্থা রাখতে পারি।”
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহান বলেন, “স্যার খুব আন্তরিকভাবে আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। তার ভাষণ শুনে আমরা অনেক অনুপ্রাণিত হয়েছি।”
আরেকজন শিক্ষার্থী রিমি বলে, “আগে স্কুলে এসে তেমন ভালো লাগতো না। এখন মনে হয় আবার নতুন করে শুরু করছি।”
সহকারী শিক্ষক জামিল হোসেন বলেন, “নতুন নেতৃত্বে আমরা শিক্ষকরাও নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছি। স্যারের দিকনির্দেশনা আমাদের পথ দেখাচ্ছে।”
সিনিয়র সহকারি শিক্ষক জিয়াউর রহমান বলেন,”নৈতিকতা মানুষকে মানুষ করে তোলে। একজন শিক্ষার্থীর জ্ঞান যতই হোক, যদি তার মাঝে নৈতিক মূল্যবোধ না থাকে, তবে তা সমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়াতে পারে।নতুন আঙ্গিকে পথা চলা এই বিদ্যালয়ে আমরা সকলেই নৈতিকতা অধ্যায়নে সর্বদাই ভূমিকা রাখবো ইনশাআল্লাহ”।
আরেকজন সিনিয়র শিক্ষক অহিদুজ্জামান বলেন, “প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ এখন অনেক প্রাণবন্ত। এতে শিক্ষার্থীদের ফলাফলেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছি।”
এই উদ্দীপনার ধারা অব্যাহত থাকলে বড়ভিটা স্কুল অ্যান্ড কলেজ অচিরেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সবাই।