খন্দকার জলিল-স্টাফ রিপোর্টার
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও দীর্ঘ ৫২ বছরেও প্রতিষ্ঠানটি আধুনিকতার ছোঁয়া পায়নি।
গান শেখানোর জন্য নেই কোনো আধুনিক বাদ্যযন্ত্র, নেই প্রশিক্ষণের জন্য অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক। ফলে এখানে সংস্কৃতি চর্চা ধীরে ধীরে মলিন হয়ে পড়ছে।
একাডেমির ভবনটি এখনো টিনশেডের, যা প্রমাণ করে সরকারের দৃষ্টি এ প্রতিষ্ঠানের প্রতি কতটা কম। বারবার আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত বাস্তবে সেগুলোর দেখা মিলেনি।
বর্তমানে এখানে দায়সারা ভাবে মাত্র দুইজন শিক্ষক কার্তিক বাবু ও গাজী সোহরাফ হোসেন গান শেখানোর দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিকেলে সীমিত পরিসরে গান শেখানো হয়।
তবে উপযুক্ত পরিবেশ, প্রশিক্ষক ও যন্ত্রপাতি এবং অভিজ্ঞ মিউজিসিয়ানের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। আগের তুলনায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে এসেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
স্থানীয় সংস্কৃতি অনুরাগীরা মনে করেন, একটি উপজেলা সদরের শিল্পকলা একাডেমির ন্যূনতম মান বজায় রাখতে যা প্রয়োজন, গলাচিপার একাডেমিতে তার কিছুই নেই। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে গান ও সংস্কৃতির এই কেন্দ্রটি কেবল নামমাত্রই টিকে থাকবে।
তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, অবিলম্বে একাডেমিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, দক্ষ শিক্ষক ও অভিজ্ঞ মিউজিসিয়ান নিয়োগ দেয়া এবং একটি মানসম্মত ভবন স্থাপন করে সংস্কৃতি বিকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।