স্টাফ রিপোর্টার হেবজুল বাহার, ১৬/৭/২০২৫ ইং
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নবীনগর: এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েও উচ্চশিক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সুহাতা গ্রামের অদম্য মেধাবী ছাত্রী প্রমা কর্মকার। দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত প্রমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন এখন ফিকে হওয়ার পথে।
নবীনগর টিভি কে প্রমা জানান, ছোটবেলা থেকেই দারিদ্রতার মাঝে বড় হয়েছেন তিনি। তাঁর বাবা দৈনিক মাত্র ৪০০ টাকা আয় করেন, যা দিয়ে তাঁদের পাঁচজনের সংসার চালানো কঠিন। মা পুঁতি দিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে সংসারের খরচ যোগাতে সাহায্য করেন এবং প্রমা নিজেও মাকে তাঁর কাজে সাহায্য করেন। প্রমার স্বপ্ন ডাক্তার হয়ে সাধারণ মানুষের সেবা করা। তিনি বলেন, “আমি জানি অভাবে কী কষ্ট
তাই আমি একদিন অসহায় মানুষকে সাহায্য করবো।”
দরিদ্র বাবার সন্তান প্রমার উচ্চশিক্ষা এখন কেবল অর্থের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয়দের মনে একটাই প্রশ্ন, এই মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্ন কি শেষ পর্যন্ত অধরাই থেকে যাবে?
প্রমা কর্মকারের বাবা শিবলু কর্মকার একজন দরিদ্র মানুষ। মেয়ের এমন ফলাফলে তিনি একদিকে যেমন গর্বিত, অন্যদিকে তেমনই চিন্তিত মেয়ের উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে। যেখানে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ জোগানোই তাঁদের জন্য পাহাড়সম, সেখানে প্রমার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন যেন ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছে।
এমন পরিস্থিতিতে নবীনগরের হৃদয়বান, বিত্তশালী, দানবীর ও মানবিক মানুষদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাঁদের বিনীত আহ্বান, দেশে ও বিদেশে থাকা নবীনগরের কেউ কি নেই, যিনি প্রমা কর্মকারের পড়াশোনার দায়িত্ব নিতে পারেন?
“আসুন না, নিজের মেয়ে মনে করে এই প্রমা কর্মকারকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দরিদ্র পরিবারের এই মেধাবী মেয়েটির ভবিষ্যৎ স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তার লেখাপড়ার দায়িত্বটুকু নিতে বিত্তশালীদের কেউ একজন উদ্যোগী হই!” — এমনটাই আকুল আবেদন সকলের।
সাহায্যের হাত বাড়াতে যোগাযোগ করুন:
কেউ যদি প্রমা কর্মকারকে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে তাঁর বাবা শিবলু কর্মকারের সাথে মোবাইল ০১৬১৬-৮৯৫৫২৬ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।
একটি ছোট্ট সহযোগিতা প্রমা কর্মকারের জীবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে এবং তাঁর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করতে পারে।