ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পিআইও অফিসে কর্মরত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সফিকুল ইসলাম–এর বিপুল সম্পদের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে। একটি অনুসন্ধানী সূত্রের দাবি, সরকারি চাকরির বেতন কাঠামোর তুলনায় তার ও পরিবারের নামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানী সূত্র জানায়, দীর্ঘ প্রায় ১০ দিনের তথ্যানুসন্ধানে বিভিন্ন স্থানে জমি, ফ্ল্যাট, সঞ্চয়পত্র, স্বর্ণালংকার ও ব্যাংক আমানতের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর চাকরিতে যোগদানের পর বর্তমান বেতন স্কেল ১১,০০০–২৬,৫৯০ টাকার মধ্যে থাকলেও তার নামে ও স্ত্রীর নামে কয়েকটি জমি ও সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী অভিযোগে যেসব সম্পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— আদর্শ সদর ও দেবিদ্বার উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় একাধিক জমি নিজ ও স্ত্রীর নামে ক্রয়ের তথ্য আদর্শ সদর উপজেলার মনোহরপুর এলাকায় স্ত্রীর নামে একটি ফ্ল্যাট স্বর্ণালংকার আনুমানিক ২৭ ভরি সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ডে কয়েক লাখ টাকার বিনিয়োগ ব্যাংক জমা ও জিপিএফ/সিএফএফ সঞ্চয় ইলেকট্রনিকস ও আসবাবপত্রসহ অন্যান্য সম্পদ তবে অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কিছু সম্পদ অন্যের নামে কেনা হয়েছে কি না—সে বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে। প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে প্রতিবেদক জানিয়েছেন। অনুসন্ধানী টিম জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই শেষে পরবর্তী প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনার উদ্যোগ