শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীপুরে তানিম হোসেন (২০) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার মনপুরায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিদায় পরীক্ষার্থীদের দোয়া, নবীন বরণ ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আদর করার হাতেই চাপাতির কোপ! শাহজাদপুরে ৫ বছরের শিশুর নৃশংস মৃত্যু গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি ঘিরে পেশাজীবী দলের অভূতপূর্ব সংবর্ধনা দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী গোমস্তাপুরে ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ মেলার শুভ উদ্বোধন। টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

আদালতের ভুল না পুলিশের অবহেলা? ভুয়া ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার সাংবাদিক।

মোঃ রাকিব শেখঃ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় ‘ভুল ওয়ারেন্টে’ গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক সোহরাব হোসেন। সোমবার বিকেলে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় এবং প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে মুক্তি পান তিনি। ঘটনাটি ভুলবশত হয়েছে বলে আদালত ও সংশ্লিষ্টরা স্বীকার করলেও এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। জানা যায়, সোমবার বিকেলে দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ কান্তি দে’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ কুমিল্লার একটি সিআর মামলা নম্বর-৫৭৩/২০২৫ এর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সোহরাব হোসেনকে আটক করে। এ সময় তিনি ওয়ারেন্ট যাচাইয়ের কথা বললেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। পরে তাকে থানাহাজতে রাখা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে বিচারক সায়মা শরীফ নিশাত কাগজপত্র যাচাই করে তাৎক্ষণিক তার মুক্তির নির্দেশ দেন। আদালত জানায়, যে পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, সেটি সঠিক ছিল না। ভুক্তভোগী সোহরাব হোসেন, যিনি দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি, অভিযোগ করেন—উটখারা মাজারের জমি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে তাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি ওই মামলায় জামিনে ছিলাম। এরপরও আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে গিয়ে প্রমাণ হয়, আমার নামে কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না। এতে আমার সম্মানহানি হয়েছে।” এ ঘটনায় তিনি আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন। আদালতের পেশকার মো. জসিম উদ্দিন জানান, একটি মারামারির মামলায় একাধিক আসামির মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করতে গিয়ে ভুলবশত অন্য এক আসামির পরিবর্তে সোহরাব হোসেনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থানায় পাঠানো হয়। তিনি এ ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পুলিশ আদালতের পাঠানো পরোয়ানার ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নিয়েছে। তার দাবি, ভুলটি আদালত থেকেই হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এসআই ভবতোষ কান্তি দে-ও একই কথা বলেন। এদিকে, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক মো. খায়রুল আলম রফিক দাবি করেন, এ ঘটনার পেছনে একটি প্রতারক চক্র জড়িত থাকতে পারে এবং বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া গ্রেপ্তার এবং একজন সাংবাদিককে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা